সিলেট ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২:৩৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৫, ২০১৫
সাবেক মার্কিন গ্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের নেতৃত্বেই ব্রিটেনকে সাঙ্গে নিয়ে ইরাকে আক্রমণ করা হয়।ঐ হামলার পর ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।
পরে ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে হত্যা করা হয়।এর পর থেকেই দৃশ্যত ইরাক পরিণত হয় ভয়াবহ এক যুদ্ধক্ষেত্রে। মার্কিনিদের জ্বালিয়ে দেয়া আগুনে আজও জ্বলছে ইরাক।
বিশ্বজুড়ে আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করে ক্লান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা দেরিতে হলেও আজ স্বীকার করে নিলেন।খবর ব্রিটিশ ইন্ডিপেন্ডেন্টের।
আমেরিকার ওপর প্রভাব ফেলছে এমন বিষয় নিয়ে আলোচনাকালে ওবামা সাবেক প্রেসিডেন্ট বুশের ওই কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন।
আইএসের উত্থানের পেছনের কারণ হিসেবে ওবামা বলেন, ‘দুইটি বিষয়: একটা হল— ইরাকে আল-কায়েদার কর্মকাণ্ডের প্রত্যক্ষ ফল আইএস, যা আমাদের আক্রমণের কারণে বেড়ে উঠেছে। এটা অনিচ্ছাকৃত পরিণতির উদাহরণ।। গুলি করার আগে ভাবতে হবে আমরা কেন তা করছি।’
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ৬০টি দেশ নিয়ে জোট করেছি। আমরা ধীরে ধীরে ইরাক থেকে আইএসকে হটিয়ে দেব। আমি আত্মবিশ্বাসী যে এটা ঘটবেই।’
এ সময় তিনি ‘সুন্নিদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিশেষত লিবিয়া ও ইয়েমেনে সুন্নি মুসলিমদের সমস্যা নিয়ে কথা বলেন তিনি।
ওই অঞ্চলের লোকদের আইএসের মতো সংগঠনে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে ওবামা বলেন, ‘যেখানে তরুণরা পড়ালেখা ও ভবিষ্যতের লক্ষ্য নিয়ে বড় হওয়ার সুযোগ পায় না। সেখানে তাদের ভালো ফল, ক্ষমতা, সম্মান পাওয়ার একটাই পথ থাকে তা হল যোদ্ধা হওয়া। এ কারণেই ওই সংগঠনগুলো সেখানে বিস্তার লাভ করতে পারে। তাই আমাকে তাদের (তরুণ) সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে দিন।’
আলোচনাকালে তিনি আইএস ছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তন, ইরান, অর্থনীতি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি