গ্রিন জোন ছেড়ে গেছে শিয়া বিক্ষোভকারীরা

প্রকাশিত: ১:৩৮ অপরাহ্ণ, মে ২, ২০১৬

গ্রিন জোন ছেড়ে গেছে শিয়া বিক্ষোভকারীরা

Manual4 Ad Code

iraq2-1আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাগদাদের গুরুত্বপূর্ণ গ্রিন জোন এলাকা ছেড়ে গেছে শিয়াপন্থি বিদ্রোহীরা। শনিবার পার্লামেন্ট ভবনে তাণ্ডব চালাবার পর তারা পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু রোববার দুটি পৃথক হামলায় ৩২ তীর্থযাত্রী নিহত হওয়ার পর তারা ওই এলাকা ছেড়ে যায় বলে আল জাজিরা জানিয়েছে। রোববার দক্ষিণাঞ্চলীয় ইরাকের সামাওয়া শহরে একটি সরকারি অফিস ও পরে বাসস্টেশন লক্ষ্য করে ওই দুটি আত্মঘাতী গাড়িবোমা হামলা চালান হয়। হামলায় ৩২ জন নিহত এবং আরো ৭৫ জন আহত হয়েছে। হতাহতদের বেশিরভাগই শিয়া তীর্থযাত্রী। জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে।

Manual4 Ad Code

রোববারের ওই হামলার পর শিয়া বিক্ষোভের আয়োজকরা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিহত তীর্থযাত্রীদের সম্মানে তারা গ্রিন জোন এলাকা ছেড়ে যাচ্ছে। প্রয়োজনে তারা আবারও পার্লামেন্ট ভবন চত্বরে সমাবেত হওয়ারও হুমকি দিয়েছে। রোববার বিকেলে লাউড স্পিকারের বিক্ষোভকারীদের ওই এলাকা ত্যাগের নির্দেশ দিচ্ছিলেন নেতারা। তাদেরই নির্দেশে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে পার্লামেন্ট চত্বর ছেড়ে যেতে দেখা যায়। বিক্ষোভকারীদেরই একজন শাথা জুমা। ৫৮ বছরের এই নারী বিক্ষোভকারী সংবাদ সংস্থা এপি-কে বলেন, আমরা আর পুরান লোকজনকে ক্ষমতায় দেখতে চাই না। আমরা চাই নতুনরা ক্ষমতায় আসুক। একই সঙ্গে তিনি বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, সংবিধানের সংশোধন ও আগাম নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

এ দাবি তার একার নয়, অসংখ্য ইরাকির। ইরাক সরকারে সংস্কারের দাবিতে শনিবার রাতে পার্লামেন্ট ভবনে চড়াও হয়েছিল কট্টরপন্থী শিয়া নেতা মোকতাদা আল সদরের সমর্থকরা। পার্লামেন্ট তাণ্ডব চালানো শেষে রাতেই তারা পিার্লামেন্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসে। পরে তারা ভবনের বাইরে অবস্থান নেয়। রোববার সারাদিন তাদের গ্রিন জোনে অবস্থান করতে দেখা গেছে। এদের মধ্যে অনেক  নারী ও শিশুও ছিল।

এদিকে পার্লামেন্টে হামলার পর এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

Manual8 Ad Code

রাজধানী বাগদাদের ১০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে গ্রিন জোনের অবস্থান। এখানে পার্লামেন্ট ভবন ছাড়াও প্রধান প্রধান সরকারি কার্যালয় ও বিদেশি দূতাবাসগুলো রয়েছে। ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন হামলার পর এ এলাকায় সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার সীমিত করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত আরো খবর  জানতে নিচে ক্লিক করুন

Manual3 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code