জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন সোমবার, কটোর নিরাপত্তায় প্রশাসন

প্রকাশিত: ৫:৪০ অপরাহ্ণ, মার্চ ৫, ২০১৭

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন সোমবার, কটোর নিরাপত্তায় প্রশাসন

Manual3 Ad Code

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ::  ৬ মার্চ সোমবার সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকে ভোট গননা পর্যন্ত পুরোটা সময়জুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ প্রশাসন।

Manual6 Ad Code

উপজেলার ৮৭ টি কেন্দ্রের মধ্যে সাধারন কেন্দ্র ৩৬ টি, ৫১টি ঝুঁকিপুর্ন কেন্দ্রে বিপুল সংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, এপিবিএন ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবে। প্রতিটি সাধারন কেন্দ্রে ৫ জন পুলিশ ও ঝুকিপুর্ন কেন্দ্রে ৬ জন পুলিশ মোতায়ন থাকবে।

এছাড়া ৮৭ কেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে ৩১ টি পুলিশের মোবাইল টিম, ৯ টি স্ট্রাইকিংফোর্স, ৬টি তদারকী টিম ও  ২ টি বিশেষ মোবাইল টিম ও ২ টি স্টান্ডবাই মোবাইল টিম দায়িত্ব পালন করবে।

প্রবাসী অধ্যুষিত এ উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও বিদ্রোহী আওয়ামীলীগগের ৩জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন। এছাড়া  ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন লড়ছেন। এ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৬৭হাজার ৪শ ৯৯জন। পুুরুষ ভোটার ৮৩ হাজার ৬শ ৯২ ও মহিলা ভোটার ৮৩ হাজার ৮শ ৭ জন। ৮৭টি কেন্দ্রের  ৪শ ৩২টি বুথে ভোট  গ্রহন অনুষ্টিত হবে।

Manual3 Ad Code

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের শেষের দিকে জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বর্তমান চেয়ারম্যান আকমল হোসেনকে হারিয়ে ১৮ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির প্রার্থী আতাউর রহমান মাছ প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়ে ছিলেন।

Manual8 Ad Code

তখন রিটার্নিং অফিসার আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করলে আকমল হোসেন ফলাফল মেনে নেন।  পরবর্তীতে নির্বাচনে তৃতীয় স্থানে থাকা প্রার্থী মিন্টু রঞ্জন ধর নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের আলোকে শুধু শাহারপাড়া নামক ১ কেন্দ্রে আবারো পূণঃনির্বাচনে আলহাজ্ব আকমল হোসেন নির্বাচিত হন। এর মধ্যে কেটে যায় ৩ বছর। দীর্ঘ ৩ বছর পর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান আকমল হোসেন। এর আগে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তাদির আহমদ মুক্তা।

পরে ২০১৪ সালে জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের ৫ বছর মেয়াদ শেষ হলে আবারো নির্বাচনের তোড়জোর শুরু হয়। এ সময় ৩ বছর পর দায়িত্ব পাওয়া চেয়ারম্যান আকমল হোসেন পুরো ৫ বছর মেয়াদ পেতে উচ্চ আদালতে রিট করলে, রিটের আলোকে তিনি পুরো ৫ বছর মেয়াদের জন্য দায়িত্ব পান। অবশেষে সর্বমোট ৮ বছর পর মেয়াদ শেষ হলে গত ১ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়।

Manual2 Ad Code

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান,  শান্তিপুর্ন পরিবেশে ভোট গ্রহনের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code