সিলেট ১৮ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:৪১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৪, ২০১৬
সুরমা মেইল ডেস্ক :: বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং দলটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৬ বিবাদীর বিরুদ্ধে ড্যান্ডি ডাইং কোম্পানির ঋণ খেলাপির মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৮ অক্টোবর ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহনের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বিচারাধীন আদালতের প্রতি খালেদা জিয়ার আস্থা নেই জানিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া।
মামলাটি এই আদালত থেকে অন্য আদালতে বদলির জন্য জেলা ও দায়রা জজ এস এম কুদ্দুস জামানের কাছে একটি আবেদন করা হয়েছে তা ১৬ অক্টোবর শুনানির জন্য আছে বলে আদালতকে জানান তার আইনজীবী।
শুনানি শেষে ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতের বিচারক ফাতেমা ফেরদৌস সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৮ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেছেন।
গত ৩ এপ্রিল ড্যান্ডি ডায়িংয়ের ৪৫ কোটি টাকা ঋণখেলাপীর অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের দায়ের করা মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১৬ বিবাদীর বিরুদ্ধে আদালতে এসে সাক্ষ্য দিয়েছিল সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় শাখার জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইলাম।
ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর বিচারক ওই সাক্ষির প্রদত্ত আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। এদিন সাক্ষির আংশিক জবানবন্দী প্রদান শেষে বিচারক অবশিষ্ট জবানবন্দী ও জেরার জন্য আগামী ১৭ এপ্রিল দিন ধার্য করেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ড্যান্ডি ডায়িংয়ের ৪৫ কোটি টাকা ঋণ খেলাপি মামলার বিচার শুরু হয়েছে গত ২ ফ্রেব্রুয়ারি।
আরাফাত রহমান কোকো এ মামলার বিবাদী ছিলেন। তিনি মারা যাওয়ায় খেলাপি ঋণ দেওয়ানি কর্মবিধি আইনের ২২নং আদেশের নিয়ম ৪ অনুসারে তার সম্পদের ওয়ারিশরা বিবাদীভূক্ত হবেন। তাই তার ওয়ারিশ হিসেবে খালেদা জিয়া, স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে বিবাদীভূক্ত করার আবেদন জানানো হয়েছিল গত বছর ১৫ জুলাই তাদেরকেও উক্ত মামলায় বিবাদী করা হয়েছে।
মামলার অন্য বিবাদীরা হলেন- ড্যান্ডি ডায়িং লি., প্রয়াত সাঈদ এস্কাদরের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, মিসেস শামসুন নাহার ও মাসুদ হাসান।
আরাফাত রহমান কোক মারা যাওয়ায় তার স্ত্রী শমিলা রহমান তার দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে এ মামলায় বিবাদীভুক্ত করা হয়।
মোজাফ্ফর আহমেদ মারা যাওয়ায় তার স্ত্রী শামসুন্নাহার ও ছেলে মাসুদ হাসানকে এ মামলায় বিবাদীভুক্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য চূড়ান্ত নোটিশ প্রদান করা হলেও বিবাদীরা কোনো ঋণ প্রদান করেননি বিধায় ২০১৪ সালে ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণ খেলাপীর অভিযোগে এ মামলাটি দায়ের করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিবাদীরা ড্যান্ডি ডাইংয়ের পক্ষে ১৯৯৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সোনালী ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করেন।
ওই বছরের ৯ মে সোনালী ব্যাংক বিবাদীদের আবেদনকৃত ঋণ মঞ্জুর করেন।
২০০১ সালের ১৬ অক্টোবর বিবাদীদের আবেদনক্রমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সুদ মওকুফ করেন। এরপর ঋণ পুনঃতফসিলিকরণও করা হয়। কিন্তু বিবাদীরা ঋণ প্রদান না করে বরাবর কালক্ষেপন করতে থাকেন।
প্রধান উপদেষ্টাঃ ফয়েজ আহমদ দৌলত
উপদেষ্টাঃ খালেদুল ইসলাম কোহিনূর
উপদেষ্টাঃ মোঃ মিটু মিয়া
উপদেষ্টাঃ অর্জুন ঘোষ
আইন বিষয়ক উপদেষ্টাঃ এড. মোঃ রফিক আহমদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মোহাম্মদ হানিফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : বীথি রানী কর
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ফয়সাল আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান
নিউজ ইনচার্জ : সুনির্মল সেন
অফিস : রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা),
বন্দর বাজার, সিলেট।
মোবাইল : ০১৭১৬-৯৭০৬৯৮
E-mail: surmamail1@gmail.com
Copyright-2015
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি