নিষ্পাপ শরীরে আঘাতের নির্মম দাগ, হতবাক বিশ্ব (ভিডিও)

প্রকাশিত: ২:৩২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০১৬

নিষ্পাপ শরীরে আঘাতের নির্মম দাগ, হতবাক বিশ্ব (ভিডিও)

Manual8 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: সিরিয়ায় মানবতা কোথায়? প্রতিনিয়ত চলছে বুলেট, মিসাইল নিক্ষেপ, রকেট হামলা, বিমান হামলা। আবার কখনো চলছে রাসায়নিক বোমা হামলা। রক্ত আর মানবতা যেন একাকার এই মুসলিম প্রধান দেশটিতে।

Manual7 Ad Code

বিধ্বস্ত হচ্ছে সহস্র বাসভবন। মৃত্যু হচ্ছে নিষ্পাপ হাজারো মানুষের। রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও। প্রতি সপ্তাহে শত শত শিশু অবলিলায় মৃত্যুকে বরণ করে নিচ্ছে নির্মমতায়।

এইতো কিছুদিন আগের কথা। বিধ্বস্ত সিরিয়ার আলেপ্পো শহর থেকে উদ্ধার হওয়া ছোট শিশু ওমরান দাকনিশের ছবি হতবাক করে দেয় বিশ্বকে।

Manual4 Ad Code

বিধ্বস্ত সিরিয়ার প্রতিচ্ছবি ছিলো এই ছোট্র এই ওমরান। দেখা যায়, রক্তাক্ত, সারাগায়ে ধূলি মাখা ভীত ওমরান একটি অ্যাম্বুলেন্সের সিটে বসে রয়েছে, একটু পরেই সে নিজের মুখে হাত বুলিয়ে রক্ত দেখতে পেয়ে চমকে ওঠে।

  শিশু ওমরান দাকনিশ

এবার তেমনি আরেক ভিডিও প্রকাশ পেলো। এবার ওমরান নয়, তারই মতো কমলমতি আরেক শিশু আয়া। তালবিশ শহরে তাদের বাড়ি। বিমান হামলা চালানো হয় ছোট্ট শিশু আয়ার শহরে। বিধ্বস্ত হয় ঘর-বাড়ি। হতাহত হয় শতশত বেসামরিক মানুষ।

হামলা সময় বাবা-মায়ের সঙ্গে বাড়ির ভেতরেই ছিলো ছোট্ট শিশু আয়া। হামলায় বিধ্বস্ত হয় তাদের বাড়িটিও। ধ্বংসলীলায় পরিপূর্ণ হয় আশপাশ।

আয়া, আহত হওয়ার আগের ও পরের ছবি

উদ্ধারকর্মীরা এসে শুরু করে উদ্ধার কাজ। বিধ্বস্ত বাড়ি থেকে আয়াকে উদ্ধার করা হয়। এযেন আরেক ওমরান!

বয়স ৮ বছর। নিষ্পাপ শরীরে আঘাতের নির্মম দাগ। গায়ের পোষাক, মাথার চুল ও সমস্ত শরীর ধূলা-বালুতে ভরপুর। রক্তাক্ত মুখ! নাকের ওপর থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে তার বুকের ওপর। ভয়ার্ত চোখ! এদিক সেদিক তাকিয়ে কাঁদছে আয়া। আর খুঁজছে তার বাবাকে। আদরের মাকে।

Manual8 Ad Code

আয়াকে একজন প্রশ্ন করলো, তোমার নাম কি? কাঁদতে কাঁদতে উত্তর দিলো, আয়া।

আবার জিজ্ঞাসা করা হলো, কখন তোমার এমন হলো? আয়া কাঁদছে আর বলছে, বাবা-মায়ের সঙ্গে বাড়িতে ছিলাম। তারপর আমাদের ঘরের ছাদ আমাদের ওপর ভেঙে পড়ে। ভয়ার্ত কণ্ঠে আয়া বলছে, ও বাবা! ও বাবা! তুমি এসো…!

আয়া কাঁদছে আর নিরাপত্তাকর্মীর তার শরীর থেকে রক্তের দাগ মুছে দিচ্ছে।

Manual8 Ad Code

আয়া বলছে, ‘ওই বাড়িতে আমার মা-বাবা রয়েছে তাদের এনে দাও!’

প্রসঙ্গত, ২০১১ সাল থেকে প্রেসিডেন্ট আসাদকে উচ্ছেদের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বিদ্রোহীরা। গত বছরের সেপ্টেম্বরে মিত্র আসাদের সহযোগিতায় যুদ্ধের ময়দানে নামে রাশিয়া। তবে স্থলযুদ্ধে অংশ না নিয়ে রাশিয়া বিদ্রোহীদের অবস্থানগুলোতে বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

সূত্র: সিএনএন

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code