পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি-বিক্রির অভিযোগে যুবতী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ৭:০৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৯, ২০২৬

পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি-বিক্রির অভিযোগে যুবতী গ্রেপ্তার

Manual7 Ad Code

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে আটক সুমাইয়া সাঈদ (২৫)। ছবি: সংগৃহীত

Manual2 Ad Code


মেইল ডেস্ক:
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে বুধবার (১৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

 

এছাড়া বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ।

 

এ ঘটনায় মেয়ের অনৈতিক কার্যক্রম জানা সত্ত্বেও তার উপার্জনে সম্মতি থাকা এবং অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবাকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে।

 

Manual1 Ad Code

ডিএমপির গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, একটি চক্র পর্নোগ্রাফিক কন্টেন্ট বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করছিল। গ্রাহকদের কাছ থেকে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে এমএফএস (বিকাশ/নগদ) অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করত তারা।

 

তিনি আরও জানান, প্রাপ্ত তথ্য ও প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের একটি টিম ১১ আগস্ট রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই নারীকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার হেফাজত থেকে দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।

Manual5 Ad Code

 

গ্রেপ্তার নারীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার পর্ন ভিডিও/ছবি তৈরির একজন পার্টনারের তথ্য পাওয়া যায়। তার তথ্যের ভিত্তিতে ওই সহযোগীকে একই দিন রাতে বাড্ডা লিংক রোড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকেও একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।

 

ডিসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও জব্দ করা ডিভাইসের তথ্য বিশ্লেষণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্টের বিজ্ঞাপন, বিক্রি এবং আর্থিক লেনদেনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া আরও কয়েকজন ব্যক্তি এ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

এ ঘটনায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে বিস্তারিত তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা, জব্দ করা মোবাইল ফোন ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগতভাবে পরীক্ষা করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট, আর্থিক লেনদেন এবং অন্য সহযোগী ব্যক্তিদের সম্পর্কে আরও তথ্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

 

নাগরিকদের অনুরোধ জানিয়ে ডিসি তরিকুল ইসলাম বলেন, কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত বা আপত্তিকর ছবি/ভিডিও অনুমতিসহ বা অনুমতি ছাড়া ধারণ, সংরক্ষণ, প্রচার, বিক্রি বা অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকুন এবং এ ধরনের অপরাধ সম্পর্কে তথ্য পেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করুন।

Manual7 Ad Code

 

(সুরমামেইল/এএইচএম)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code