সিলেট ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৪:১৭ অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০১৬
সুরমা মেইল নিউজ : রাজধানীর খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়া বাঁশপট্টি এলাকায় শনিবার রাতে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক যুবক নিহত হন। পুলিশ নিহতকে ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার প্রধান শরিফুল ওরফে হাদি-১ বলে দাবি করে।
তবে নিহতের স্বজনেরা জানিয়েছে- তার নাম শরিফুল ওরফে হাদি নয়। সে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র মুকুল রানা।
সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে মুকুলের লাশ শনাক্ত করে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে এ দাবি করেন তার দুলাভাই হেদায়েতুল ইসলাম ও চাচাত ভাই রহমত আলী।
এদিকে নিহত তরুণের সুরতহাল রিপোর্ট করা হয় রোববার বিকালে। খিলগাঁও থানার এসআই আল মামুন রিপোর্টে নিহতের নাম শরিফুল উল্লেখ করেন। কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা অভিভাবক ছাড়া এ নামে লাশের সুরতহাল রিপোর্টে স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইলিয়াস মেহেদী।
ফলে অজ্ঞাতনামা (২৫) হিসাবে লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করে লাশ ঢামেকের মর্গে রাখা হয়।
সোমবার হাসপাতালে নিহতের দুলাভাই পরিচয় দিয়ে সাতক্ষীরা নিবাসী হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, নিহতের নাম শরিফুল নয়, মুকুল রানা।
এ সময় তিনি মুকুলের জাতীয় পরিচয়পত্র দেখান। যার নম্বর, ১৯৯৩৮৭১৮২৫৪০০০০৬৮। এতে মুকুলের পিতার নাম মো. আবুল কালাম আজাদ এবং মাতার নাম মোছা. ছকিনা লেখা হয়েছে।তার জন্মতারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ১৯৯৩ সালের ২৫ নভেম্বর।
হেদায়েতুল বলেন, পত্রিকায় নিহত মুকুলের ছবি দেখে তারা সাতক্ষীরা থেকে ঢামেক হাসপাতালে এসেছেন। লাশ দেখে মুকুলকে চিনতে পেরেছেন।
তিনি আরও জানান, মুকুল সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিল। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে দ্বিতীয় ছিল সে।
সাতক্ষীরায় মুকুলের বাবার ছোট চিংড়ি ঘেরের ব্যবসা রয়েছে। আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছল না হওয়ায় এক বছর আগে সে ঢাকায় চলে আসে।
তবে মুকুল উত্তরায় কোথায় থাকতো, কী করতো বা কোনো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল কি না তা তিনি জানেন না বলে হেদায়েতুল সাংবাদিকদের জানান।
উল্লেখ্য, রোববার পুলিশ জানিয়েছিল, খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়া বাঁশপট্টি এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) সদস্য শরিফুল ওরফে সাকিব ওরফে হাদি-১ নিহত হয়েছে। সে সংগঠনটির সিøপার সেলের অন্যতম কিলার।
পুলিশের ভাষ্য, নিহত যুবক লেখক ও ব্লগার ড. অভিজিৎ রায় হত্যায় সরাসরি অংশ নেয়। তাকে ধরিয়ে দিতে পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. দিদার আহাম্মদ দাবি করেন, ‘নিহত শরিফুল বিভিন্ন নামে গোপনে সক্রিয় ছিল। অভিজিৎসহ আরও ছয়টি খুনে সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিল সে।’
তিনি আরও বলেন, অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সংগ্রহ করা সিসি টিভি ফুটেজে তাকে দেখা গেছে। বিভিন্ন সময় ব্লগার, প্রগতিশীল লেখক, প্রকাশক হত্যায় জড়িত সন্দেহভাজন যে ছয় জঙ্গি সদস্যকে ধরিয়ে দিতে পুলিশ সম্প্রতি পুরস্কার ঘোষণা করেছিল তাদের মধ্যে শরিফুল দ্বিতীয়।
প্রধান উপদেষ্টাঃ ফয়েজ আহমদ দৌলত
উপদেষ্টাঃ খালেদুল ইসলাম কোহিনূর
উপদেষ্টাঃ মোঃ মিটু মিয়া
উপদেষ্টাঃ অর্জুন ঘোষ
আইন বিষয়ক উপদেষ্টাঃ এড. মোঃ রফিক আহমদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মোহাম্মদ হানিফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : বীথি রানী কর
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ফয়সাল আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান
নিউজ ইনচার্জ : সুনির্মল সেন
অফিস : রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা),
বন্দর বাজার, সিলেট।
মোবাইল : ০১৭১৬-৯৭০৬৯৮
E-mail: surmamail1@gmail.com
Copyright-2015
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি