বাংলাদেশি নারীকে পাচার করে দেহ ব্যবসা: ৩ জনের জেল

প্রকাশিত: ২:৩৭ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৯, ২০১৬

বাংলাদেশি নারীকে পাচার করে দেহ ব্যবসা: ৩ জনের জেল

Manual6 Ad Code

download

Manual3 Ad Code

সুরমা মেইল নিউজ : বাংলাদেশি নারীকে পাচার করে তাকে দিয়ে যৌন ব্যবসা চালানোর অভিযোগে ভারতের কেরালায় ৩ জনের জেল দিয়েছে আদালত। তারা হলো, এবি নাউফল (৩০), সুহেইল থাঙ্গাল ওরফে বাবাক্কা (৪৪) ও তার স্ত্রী অম্বিকা ওরফে সাজিদা (৩৫)। শুক্রবার কোজিকোড়ির স্পেশাল এডিশনাল সেশনস কোর্টের বিচারক এস. কৃষ্ণাকুমার এ রায় দেন। তাতে কাসারাগোড়ের এবি নাউফলকে আট বছরের জেল দেয়া হয়েছে। সঙ্গে ৫০ হাজার রুপি জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদিকে বাবাক্কাকে ৫ বছরের জেল দেয়া হয়েছে। সঙ্গে ২৫ হাজার রুপি জরিমানা করা হয়েছে। সাজিদাকে ৩ বছরের জেল ও ২৫ হাজার রুপি জরিমানা করা হয়েছে। একই রায়ে যৌন নির্যাতনের শিকার বাংলাদেশি নারীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে এক লাখ রুপি দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

এই ক্ষতিপূরণের অর্থ ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশনে পাঠাতে বলা হয়েছে। সেখান থেকে নির্যাতিতাকে এই অর্থ পরিশোধ করার কথা বলা হয়েছে।

Manual7 Ad Code

উল্লেখ্য, গত বছর বাংলাদেশি ওই নারীকে পাচার করে কেরালায় নিয়ে যৌন ব্যবসায় নামতে বাধ্য করা হয়। দেশে রয়েছে ৩৪ বছর বয়সী এই নারীর স্বামী ও তিন সন্তান। স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার এক পর্যায়ে তিনি ভারতের মুম্বইতে হাজি আলী দরগায় চলে যান। সেখানে তার সঙ্গে পরিচয় ঘটে এবি নাউফেলের। এ সময় ওই নারীকে কেরালায় ভাল বেতনের চাকরির প্রলোভন দেয়ায় সে। এতে রাজি হয়ে যান বাংলাদেশী ওই নারী। নাউফেল তাকে নিয়ে যায় কেরালায়। সেখানে আগে থেকেই একটি এপার্টমেন্টে দেহব্যবসা চালাচ্ছিল সুহেইল। থাঙ্গাল ও তার স্ত্রী। তাদের ফাঁদে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করা হয় ওই বাংলাদেশি নারীকে। এক পর্যায়ে তাকে সেখান থেকে তিনি পালান। তার আশ্রয় হয় ভেল্লিমাদুকুন্নুতে সরকার পরিচালিত নারীদের আশ্রয়শিবিরে। সেখানে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা চালান। এরপর আইনী প্রক্রিয়া শেষে তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তার কাহিনী ছাপা হয়েছে ‘নজান এন্না মুরিভু’ নামের বইতে। তার নিজের আঁকা চিত্রকর্ম নিয়ে এরই মধ্যে প্রদর্শনীও হয়েছে।

Manual2 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code