বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষের কোনো শঙ্কা নেই : ডব্লিউএফপি

প্রকাশিত: ১০:০০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০২২

বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষের কোনো শঙ্কা নেই : ডব্লিউএফপি

Manual8 Ad Code

সুরমা মেইল ডেস্ক :
সারাবিশ্বে খাদ্য সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষের কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)।

 

বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) সচিবালয়ে ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর ডোমেইনিকো স্কালপেলির নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

 

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এখন আমন ধান কাটা চলছে। তারা (ডব্লিউএফপি) আমাকে বলেছে যে, তাদের কাছে তথ্য আছে কোনো ক্রমেই বাংলাদেশে খাদ্য সংকট বা দুর্ভিক্ষ হওয়ার সামান্যতম সম্ভাবনা নেই।

 

Manual2 Ad Code

কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন, ইউএন এবং বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন মাল্টিলেটারাল ডোনাররা অনুমান করছে যে, পৃথিবীতে একটি খাদ্য সংকট হওয়ার সম্ভাবনা আছে অতিসত্ত্বর। এটাকে বিবেচনায় নিয়েই সরকার কাজ করছে। স্বাধীনতার পর থেকেই আমাদের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) সহযোগিতা করছে। ৬ বছর যাবত রোহিঙ্গাদের জন্য যে খাদ্য প্রয়োজন সেটিও বিশ্ব খাদ্য সংস্থার মাধ্যমেই দেওয়া হচ্ছে।

Manual8 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

তিনি বলেন, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ বাংলাদেশকে কীভাবে দেখছে এবং কীভাবে ভবিষ্যতে এখানে তারা কাজ করবে, সেসব বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে।

 

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমন ধান আমাদের মূল ফসল। প্রতিকূলতার মধ্যে সেচ দিয়ে কৃষকরা ধান লাগিয়েছে। সবাই বলছেন, এবার স্মরণাতীতকালের মধ্যে সবচেয়ে ভালো ধান হয়েছে।

 

তিনি বলেন, গরিব মানুষ আছে। তাদের কষ্টও হচ্ছে। তবে টাকা নিয়ে খাবার কিনতে পারছে না- এমন পরিস্থিতি হয়নি।

Manual3 Ad Code

 

ডলার সংকটের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা বলেছি- সার আমদানিতে কোনো সমস্যা তৈরি করা যাবে না। এটার পেমেন্ট স্মুথ করতে হবে। খাদ্য আমদানিতে কিছু প্রভাব পড়ছে। জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত গত আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পরিমাণ খাদ্য আমদানি হয়েছে।

 

মন্ত্রী আরো বলেন, প্রায় ৮০০ প্রতিষ্ঠানকে চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু দুই থেকে ৩ লাখ টনও আসেনি। এ মুহূর্তে খাদ্যের দাম বাড়ার ট্রেন্ড নেই। খাদ্যের দাম কমেছে বলেই মূদ্রাস্ফীতি এ মাসে কমে এসেছে।

 

কৃষিমন্ত্রী বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ডলার সংকট হবে না। এখনো ২৭ বিলিয়ন রিজার্ভ তো আছেই। আমদানি ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় ডলার দিতে পারবে।


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code