সুরমা মেইল নিউজ : প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, রাজধানীর চারপাশে নদীসমূহের মাধ্যমে বৃত্তাকার নৌপথ ও সড়ক চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গৃহীত বৃত্তাকার প্রকল্পটির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে বিভিন্ন আনুষঙ্গিক কাজ সম্পাদন করা হয়েছে। শীঘ্রই তা পূর্ণতা পাবে।
বুধবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদের বৈঠকে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন- বৃত্তাকার নৌপথ প্রকল্পটি ১ম ও ২য় পর্যায়ে অর্থাৎ দুই দফায় বাস্তবায়িত হয়েছে। ইতিমধ্যে রাজধানীর চারপাশের নদীসমূহের সমন্বয়ে বৃত্তাকার নৌপথ চালু করা হয়েছে। নৌপথটিতে মালামালবাহী কার্গো জাহাজ নিয়মিত চলছে। তবে সীমিত আকারে যাত্রীবাহী ওয়াটার বাসও চলাচল করছে।
তিনি বলেন- সড়কপথ চালু করতে আব্দুল্লাহপুর থেকে শুরু হয়ে ধউর-বিরুলিয়া-গাবতলী-বাবুবাজার-সদরঘাট-ফতুল্লা-চাষাড়া-সাইনবোর্ড-সিমরাইল-ডেমরা-পূর্বাচল সড়ক তেরমুখ হয়ে আবদুল্লাহপুর পর্যন্ত ৯১ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেন বিশিষ্ট ও ৫ মিটার বিভাজকসহ একটি বৃত্তাকার-সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা সরকার গ্রহণ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন- ডেমরা থেকে তেরমুখ পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার অংশে বর্তমানে কোনো সড়ক বা বাঁধ না থাকায় ইস্টার্ন বাইপাস প্রকল্পের আওতায় পানি উন্নয়ন বোর্ড হতে ঐ অংশে বেড়িবাঁধ নির্মাণের পর সড়ক ও জনপথ চার লেন বিশিষ্ট সড়ক নির্মাণ করা হবে। অবশিষ্ট ৬৭ কিলোমিটার অংশকে ঢাকা-সার্কুলার রোড, ফেজ-২ হিসেবে নামকরণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই প্রকল্পের লিড মন্ত্রণালয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন- বৃত্তাকার সড়কের মূল কম্পোনেন্ট হলো, রাজধানীতে বিদ্যমান সড়কগুলোকে ধীরগতি সম্পন্ন যানবাহনের জন্য আলাদা দুই লেন সম্পন্ন সার্ভিস রোডসহ চার লেন সড়কে উন্নীত করা এবং সড়কের মাঝে ৫ মিটার বিশিষ্ট বিভাজকের সংস্থান রাখা এবং গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে ফ্লাইওভার নির্মাণের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন যান চলাচল নিশ্চিত করা।
জাতীয় সংসদের বৈঠকে সৌদি আরবের সফর সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে শেখ হাসিনা আরও বলেন, সৌদি আরব সফরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তা বিষয়ে সম্পর্ক উন্নয়নে এক নতুন ও পূর্ণাঙ্গ ভিত্তি তৈরি হয়েছে। সৌদি সরকার ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই প্রথমবার বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা বৃদ্ধিরও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।