সিলেট ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:২৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৮, ২০২৬
মেইল ডেস্ক:
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র নিজ দেশে ভ্রমণের আবেদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ ৩৮ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা বন্ড চালু করেছে। এর ফলে দেশটিতে প্রবেশের আবেদনের সময় বন্ড দিতে হবে তালিকায় থাকা দেশগুলোর নাগরিকদের। এই তালিকায় বাংলাদেশের নাম থাকাটাকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। পাশাপাশি বিষয়টি দুঃখজনক ও কষ্টকর বলছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তৌহিদ হোসেন বলেন, “আমেরিকা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেখানে শুধু বাংলাদেশের বিষয় না। অনেকগুলো দেশের মধ্যে বাংলাদেশও আছে। কোন দেশগুলো আছে, যাদের ইমিগ্রেশন নিয়ে প্রবলেম আছে। আপনারা আমেরিকানদের স্ট্যাটিস্টিক্স দেখেছেন, যারা ওখানে ওদের সোশ্যাল সিস্টেম থেকে এভাবে গিয়ে পয়সা নেয় তাদের মধ্যে বাংলাদেশিরাও আছে। তারা যদি কিছু দেশের ওপর এরকম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, সেটার মধ্যে বাংলাদেশ থাকবে, এটা আমার কাছে খুব অস্বাভাবিক মনে হয় না। তবে, অবশ্যই দুঃখজনক ও কষ্টকর।”
তিনি আরও বলেন, “এরা যদি সবাই গত এক বছরে যেত তাহলে আমি বলতাম আমরা দায়ী। যদি সমস্যাটা এই এক বছরে সৃষ্টি হতো, আমি তাও বলতাম সরকারের কিছু দায়-দায়িত্ব আছে। এই পদ্ধতি চলছে দীর্ঘদিন ধরে। কাজেই দায়-দায়িত্ব যদি আপনি ধরেন, পলিসিগত দায়-দায়িত্ব যদি কারো থাকে সেটা হলো পূর্ববর্তী সব সরকারের। সেটাকে আমরা পরিবর্তন করতে পারিনি, পরিবর্তন করা সম্ভব না। কারণ মানুষের এই নড়াচড়া বন্ধ করার সাধ্য এই সরকারের নেই, কোনও সরকারেরই ছিল না। পলিসির দিক থেকে যেটা আমি বলতে পারি, সেটা হলো যে প্রথম দিন থেকে আমরা কিন্তু অনিয়মিত মাইগ্রেশনের বিরুদ্ধে কথা বলে আসছি।”
তৌহিদ হোসেন বলেন, “আমাদের মিডিয়ার আচরণ হচ্ছে, ভূমধ্যসাগর পাড়িতে গিয়ে মারা গেছে অথবা হাবুডুবু খেয়ে তারপরে উদ্ধার হয়ে এসেছে সে একজন ভিকটিম, তার প্রতি সব ধরণের সিম্প্যাথি। আমি সম্পূর্ণ এগ্রি করি সে অবশ্যই ভিকটিম। কিন্তু, পাশাপাশি আইন ভঙ্গকারী। গ্রামের যে ছেলেটি টুরিস্ট ভিসা নিয়ে কেনিয়া যাচ্ছে, তার তো আসলে কেনিয়াতে ট্যুর করতে যাওয়ার সামর্থ্য নাই। এটা আমরা কেন থামাতে পারি না। এটা আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত থামাতে না পারবো ততক্ষণ ভূমধ্যসাগরে মানুষ মরতে থাকবে। জীবিতরা ফিরে আসার পর আমরা বলতে গেলে দেখা যাবে আমি খুব ইনসেন্সিটিভ বলছি। আমি চাই, এই ঘটনা বা দুর্ঘটনাগুলো, এই ট্রাজেডিগুলো না ঘটুক।”
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “সাহায্য নিতে গেলে অবশ্যই তাদেরকে আটকাতে হবে। বলতে হবে, কাকে টাকা দিয়ে গিয়েছে। আপনি যদি সেই লোকগুলোকে আটকাতে না পারেন, জেলে নিতে না পারেন তাহলে এই সমস্যার সমাধান হবে না। আমরা সিম্প্যাথি দেখাবো অবশ্যই ভিকটিমকে, কিন্তু ভিকটিম তাকে করেছে যারা তাদেরকে আমাদের ধরার চেষ্টা করতে হবে। ধরতে গেলে কিন্তু কতগুলো পদ্ধতি আছে। সেখানে আমাদের সামাজিক সমর্থন লাগবে। আমরা তো কয়েকদিন আছি আর ৩৫ দিন। কিন্তু, যেই সরকারই আসুক না কেন ওই সমস্যার সমাধান করতে কিন্তু সামাজিক সহায়তা লাগবে।”
(সুরমামেইল/এফএ)
প্রধান উপদেষ্টাঃ ফয়েজ আহমদ দৌলত
উপদেষ্টাঃ খালেদুল ইসলাম কোহিনূর
উপদেষ্টাঃ মোঃ মিটু মিয়া
উপদেষ্টাঃ অর্জুন ঘোষ
আইন বিষয়ক উপদেষ্টাঃ এড. মোঃ রফিক আহমদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মোহাম্মদ হানিফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : বীথি রানী কর
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ফয়সাল আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান
নিউজ ইনচার্জ : সুনির্মল সেন
অফিস : রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা),
বন্দর বাজার, সিলেট।
মোবাইল : ০১৭১৬-৯৭০৬৯৮
E-mail: surmamail1@gmail.com
Copyright-2015
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি