সিলেট ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:২৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬
মেইল ডেস্ক:
সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র এবং সারসংক্ষেপ উপস্থাপনে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যদের পদবির পূর্বে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতরূপে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত পরিপত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পরিপত্রে জানানো হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে সম্মানসূচক শব্দ হিসেবে এতদিন ব্যবহৃত ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ দুটি লিখিত দাপ্তরিক কাজে আর ব্যবহার করা যাবে না। সরকারের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও এর অধীন দপ্তরগুলোতে চিঠি আদান-প্রদান, সারসংক্ষেপ প্রেরণ এবং নথিপত্রে এ নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অনতিবিলম্বে এ আদেশ কার্যকর করার কথা উল্লেখ করে বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
ইতোমধ্যে নির্দেশনার অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সব মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে বাস্তবায়ন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব নাসিমুল গনি বলেন, ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ এসব শব্দ সৌজন্যতার খাতিরে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আধুনিককালে এসব শব্দ ব্যবহারে অস্বস্তিও তৈরি হয়। এসব বিবেচনা নিয়ে সরকার দাপ্তরিক কাজে এর ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে পরিপত্র জারি করা হয়েছে। তবে মৌখিকভাবে এসব শব্দ ব্যবহারে আইনগত কোনো বাধা নেই।
(সুরমামেইল/এফএ)
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি