সিলেট ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৫:৪৯ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৭, ২০১৬
ষ্টাইল : যারা নিয়মিত রূপচর্চা করেন, শসা তাদের কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। ডায়েট করার জন্যও শসার বিকল্প হয় না। শসা ভিটামিন এবং মিনারেলেস পরিপূর্ণ একটি সবজি। এর ৯৬ শতাংশ পানি। শসা ভিটামিন-কে, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-এ, ফলিক এসিড, পটাশিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজের উত্তম উৎস। এ ছাড়া রিবোফ্লাবিন, প্যান্টোথেনিক এসিড, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, সালফার, সিলিকা এবং ভিটামিন বি-৬ আছে বেশি পরিমাণে। শসা থেকে খাদ্য আঁশ পাওয়া যায়। এতে আরো রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, কিউকারবিটাকিন্স, লিগনান্স এবং ফ্লাভনয়েডস। শসাকে যেমন পুষ্টিকর সবজি হিসেবে খাওয়া হয়, তেমনি ব্যবহার করা হয় রোগ নিরাময়ে।
১. শসায় প্রচুর পানি থাকে তাই, শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে মনকে প্রশান্ত করে তোলে।
২. এটি মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে। শরীরের জমানো ক্ষতিকর ও বিষাক্ত উপাদানগুলো অপসারণ করে রক্তকে পরিষ্কার রাখে।
৩. শসা বুক জ্বলা, পাকস্থলীর এসিডিটি এমনকি গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি দিতে পারে।
৪. প্রতিদিন শসার জুস খেলে অ্যাকজিমা এবং গাউটে উপকার পাওয়া যায়। এটি ডায়াবেটিসও কিছুটা উপশম করে।
৫. বাত-ব্যথা প্রশমনের জন্য শসা ও গাজর একসঙ্গে জুস বানিয়ে খেলে উপকার পাবেন।
৬. শসার জুস কিডনি এবং গলব্লাডারের পাথর অপসারণে সহায়তা করে।
৭. শসা হাত ও পায়ের নখ ভাঙা প্রতিরোধ করে।
৮. পাইরিয়ার কারণে দাঁত ও মাড়ির রোগে শসা উপকারী।
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি