সিলেটে চালু হলো দেশের প্রথম সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন যুদ্ধ প্রশিক্ষণকেন্দ্র

প্রকাশিত: ৬:০৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬

সিলেটে চালু হলো দেশের প্রথম সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন যুদ্ধ প্রশিক্ষণকেন্দ্র

Manual6 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়াতে থার্মাল ইমেজিং ও নাইট ভিশন সুবিধাসম্পন্ন ড্রোন ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে বিজিবি। এ জন্য সিলেটে দেশের প্রথম ‘সীমান্ত স্কুল অব সারভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’ চালু করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সিলেট বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তরে প্রশিক্ষণকেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে তিনি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের কার্যক্রম, ড্রোনের ব্যবহারিক প্রদর্শনী ও মহড়া দেখেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেসব সীমান্ত এলাকায় জনবল দিয়ে ম্যানুয়ালি নজরদারি করা কঠিন, সেখানে ডিজিটাল নজরদারি, নাইট ভিশন ও থার্মাল ইমেজিং ড্রোন ব্যবহার করা হবে।

 

এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে সীমান্তের ওপারে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক ও অস্ত্র পাচার এবং মানব পাচারের মতো আন্তসীমান্ত অপরাধ শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

 

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এই প্রশিক্ষণকেন্দ্রের মাধ্যমে ড্রোন ও ডিজিটাল নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ জনবল তৈরি করা হবে। ভবিষ্যতে সীমান্তের বর্ডার আউটপোস্ট, বিজিবি সদর দপ্তর ও আঞ্চলিক কমান্ড পর্যায় থেকেও সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের সুযোগ তৈরি করা হবে।

 

বিজিবির জন্য দেশে ড্রোন তৈরি ও সংযোজনের উদ্যোগের কথাও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা এগুলো নিজেরাও এখানে অ্যাসেম্বল করছি, বানাচ্ছি এবং ভবিষ্যতে সেটা আমাদের জন্য একটা ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।’

Manual4 Ad Code

 

Manual8 Ad Code

প্রশিক্ষণকেন্দ্রে বিশ্বের বিভিন্ন ধরনের আধুনিক ড্রোন রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সব ধরনের উন্নত ড্রোন এখনো সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। তবে আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে আরও উন্নত ড্রোন এখানে যুক্ত করার চেষ্টা করা হবে।

Manual6 Ad Code

 

শুধু সীমান্ত নজরদারি নয়, দুর্যোগের সময়ও ড্রোন ব্যবহার করা যাবে বলে জানান তিনি। দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানো ও উদ্ধারকাজে ড্রোন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বিজিবি সদস্যরা এরই মধ্যে এ ধরনের কাজে ড্রোন ব্যবহার করেছেন বলেও জানান তিনি।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপাতত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বিজিবি সদস্যদের জন্য পরিচালিত হবে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন ও সুযোগ অনুযায়ী বেসামরিক জনগণকেও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হতে পারে।

Manual6 Ad Code

 

তিনি বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের কাজেও এই সক্ষমতা কাজে লাগানো হবে।

 

(সুরমামেইল/এফএ)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code