সিলেটে পুলিশের নজরদারিতে তিন উপজেলা

প্রকাশিত: ৬:৪১ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০১৬

সিলেটে পুলিশের নজরদারিতে তিন উপজেলা

Manual7 Ad Code

download (3)

সুরমা মেইল নিউজ : রাজধানীর গুলশানে জঙ্গি হামলার পর সিলেটকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়েছে। এরমধ্যে জকিগঞ্জ, বিয়ানীবাজার ও কানাইঘাট এই তিন উপজেলায় আইনশৃংখলা বাহিনীর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এখানে মাদরাসা ও কট্টরপন্থী ইসলামী ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান নজরদারিতে আনা হয়েছে।

সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) সুজ্ঞান চাকমা এ ব্যাপারে জানিয়েছেন- হেডকোয়ার্টার থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে নির্দেশনা রয়েছে। আমরা সেভাবে ব্যবস্থা নিয়েছি। তবে, কোথায় কী রকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে তা প্রকাশ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

Manual7 Ad Code

এই উপজেলা গুলোর ব্যাপারে বলেন- এসব এলাকায় জঙ্গি হামলার আশংকার ব্যাপারে আমাদের জানা নেই। তবে, এই অঞ্চলের অনেকে অতীতে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সাথে সম্পৃকতার অভিযোগ উঠে।

Manual5 Ad Code

সিলেট নগরীর সুবিদবাজারে ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশ খুনে কানাইঘাটে মান্নান রাহীর সম্পৃকতার উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন- এসব বিবেচনায় কিছু অঞ্চলে জঙ্গি আস্তানার থাকতে পারে বলে আশংকা করা হয়।

Manual7 Ad Code

এদিকে, সোমবার দুপুরে জেলার জকিগঞ্জ উপজেলা অডিটরিয়ামে সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটির জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বলা হয়, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ’সহ ৩ টি উপজেলাকে ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জকিগঞ্জ, কানাইঘাট ও বিয়ানীবাজার উপজেলায় সরকার বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানানো হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোবাশশেরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভার শুরুতে গুলশানের নারকীয় জঙ্গী হামলায় দেশী বিদেশী নিহত নাগরিকদের আত্মার মাগফিরাত ও পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে। সভায় সারা উপজেলার ৬৮ টি মন্দিরের সেবায়েত ও পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, জঙ্গীবাদকে ইসলাম কখনো সমর্থন করে না। ইসলামে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে মানুষ হত্যা জঘন্যতম মহা পাপ। ইসলামের ভুল ব্যাখা করে জঙ্গীরা মানুষ হত্যার মত জঘন্যতম অপরাধে উদিয়মান তরুণদের জড়িয়েছে। তাদের সকল জঙ্গী হামলা মোকাবেলা করতে সামাজিক নিরাপত্তার বিকল্প কোন নিরাপত্তা হতে পারেনা। এ জন্য সকল মসজিদ ও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দকে আরো দায়িত্বশীল হতে হবে। বড় বড় মসজিদ ও মন্দিরে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবিও জানানো হয়।

নিজেদের স্বার্থে এদের বিরুদ্ধে কমিউনিটি পুলিশিং, থানা পুলিশ, রাজনীতিক, মসজিদের ইমাম ও সেবায়েতদের’সহ সকল ধর্ম-বর্ণ র্নিবিশেষে সকল শ্রেণী পেশার মানুষদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।

Manual8 Ad Code

সভায় বক্তব্য রাখেন সিলেটের সহকারী পুলিশ সুপার জ্যোর্তিময় সরকার, জকিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খলিল উদ্দিন, কাজলসার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, কসকনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন লস্কর, জকিগঞ্জ থানার ওসি সফিকুর রহমান খাঁন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল মুতলিব, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির নেতা জ্যোতিষ চন্দ্র পাল, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের আহবায়ক বিভাকর দেশমূখ্য, জকিগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি আবুল খায়ের চৌধুরী প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code