সীমান্তে নিহত মুজিবের স্ত্রীকে ৮শ’ টাকা সহায়তা, নাসীরুদ্দীন-সারজিসের প্রতি ক্ষোভ

প্রকাশিত: ১:৫৮ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১, ২০২৬

সীমান্তে নিহত মুজিবের স্ত্রীকে ৮শ’ টাকা সহায়তা, নাসীরুদ্দীন-সারজিসের প্রতি ক্ষোভ

Manual6 Ad Code

নিহত মুজিবের মা। ছবি: সংগৃহীত


মেইল ডেস্ক:
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত মুজিবুর রহমানের পরিবারকে ৮০০ টাকা সহায়তা দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার স্ত্রী রহিমা বেগম।

 

এ ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সমন্বয়ক সারজিস আলমের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।

 

রহিমা বেগম বলেন, ‘একটা মানুষ মারা গেল, আর পেলাম ৮০০ টাকা! এই টাকা দিয়ে আমরা এখন কী করব?’

Manual3 Ad Code

 

জানা গেছে, গত ১২ জুন সন্ধ্যায় মাছ ধরতে গিয়ে কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গুলিতে নিহত হন মুজিবুর রহমান। পরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

Manual1 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

গত শুক্রবার (২৬ জুন) নিহতের বাড়িতে যান এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সমন্বয়ক সারজিস আলম। এ সময় তারা স্থানীয়দের কাছে নিহতের পরিবারের জন্য সহায়তার আহ্বান জানান। পরে সংগৃহীত অর্থ নিহতের স্ত্রী রহিমা বেগমের হাতে তুলে দেন।

 

তবে পরিবারের অভিযোগ, নেতারা নিজেদের পক্ষ থেকে কোনো আর্থিক সহায়তা না দিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করেন। পরে সেই অর্থ গুনে দেখা যায়, সেখানে ছিল মাত্র ৮০০ টাকা।

 

Manual1 Ad Code

কান্নাজড়িত কণ্ঠে রহিমা বেগম বলেন, ‘আমার তিনটি ছোট সন্তান রয়েছে, আরেকটি সন্তান গর্ভে। ঢাকা থেকে বড় বহর নিয়ে নেতারা আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন। এতে এলাকার মানুষ মনে করছে আমরা তিন থেকে চার লাখ টাকা সহায়তা পেয়েছি। কিন্তু পরে দেখি হাতে দেওয়া হয়েছে মাত্র ৮০০ টাকা। এতে আমরা যেমন হতাশ হয়েছি, তেমনি মানুষের ভুল ধারণার কারণেও বিব্রত হতে হচ্ছে।’

 

নিহতের মা লায়লা বেগমও একই অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, টাকা গুনে দেখেন সেখানে ৮০০ টাকা ছিল। তার দাবি, এনসিপির নেতারা পরে একটি বড় তহবিল গঠনের আশ্বাস দিলেও তাৎক্ষণিকভাবে এত অল্প অর্থ দেওয়ায় পরিবারটি মর্মাহত হয়েছে।

 

বর্তমানে নিহত মুজিবুর রহমানের পরিবারে রয়েছেন তার বৃদ্ধ মা, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী এবং দুই শিশু সন্তান। পরিবারটির পুনর্বাসনে সরকারি ও বেসরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

এ বিষয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বা সারজিস আলমের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

(সুরমামেইল/এমবিএন)


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code