সিলেট ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:৩৩ অপরাহ্ণ, মে ৩১, ২০১৬
সুরমা মেইল নিউজ : মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় গ্রেপ্তার হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার মহিবুর রহমান বড় মিয়া (৭০), তার ছোট ভাই মুজিবুর রহমান আঙ্গুর মিয়া (৬৫) ও তাদের চাচাত ভাই আব্দুর রাজ্জাকসহ তিন ভাইয়ের রায় আগামীকাল বুধবার ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার (৩১ মে) বিচারপতি মো. আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মামলাটির রায় ঘোষণা করার জন্য দিন ঠিক করেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্যরা হলেন, বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলাম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ারদী।
গত ১১ মে রাষ্ট্র ও আসামি উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে যেকোন দিন ঘোষণা করা হবে বলে (সিএভি) অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।
আদালতের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন, প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন, রেজিয়া সুলতানা চমন ও তাপস কান্তি বল।
অপরদিকে আসামিপক্ষে ছিলেন, আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া, পারভেজ হোসেন, মাসুদ রানা ও মো. উজ্জল হোসেন।
এর আগে ১০ মে থেকে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শুরু করেন রাষ্ট্রপক্ষ। তারপর আসামিপক্ষের যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শেষ করার পরে মামলাটির রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়।
২০১৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি একই মামলার আসামি মহিবুর ও মুজিবুরের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল শেষ করেন এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নুর হোসেন। ২৯ এপ্রিল ধানমণ্ডি কার্যালয় সেফহোমে এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশ করেন তদন্ত সংস্থা।
২০১৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর আসামীদের বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগে আনুষ্ঠানি অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করার মধ্য দিয়ে তাদের বিচার শুরু হয়। তারপর একই বছর ২১ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউশনের সাক্ষী গ্রহণ শুরু করে মোট ১২ সাক্ষী তাদের জবানবন্দি পেশ করেন। অপরদিকে আসামিপক্ষে ৭ জন সাফাই সাক্ষী তাদের জবানবন্দি পেশ করেন।
এর আগে ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তদন্তের স্বার্থে মহিবুর রহমান বড় মিয়া ও মুজিবুর রহমান আঙ্গুর মিয়াকে গ্রেফতারের আবেদন জানান প্রসিকিউশন। তার পর ১৭ মে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন এবং ১৯ মে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। ওই আবেদনের শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। তারপরে তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠায় আদালত।
এরপর ৩১ মে এ তিনজনের বিরুদ্ধে চার অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর ২৯ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মো. আনোয়ারুল হক নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন।
তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে চার অভিযোগ:
প্রথম অভিযোগ : একাত্তর সালের ১১ নভেম্বর বানিয়াচং উপজেলায় অভিযান চালিয়ে মুক্তিযোদ্ধা আকল আলী ও রজব আলীকে হত্যা করে লাশ গুম করে আসামিরা।
দ্বিতীয় অভিযোগ : তারা পাকিস্তানি বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মেজর জেনারেল এমএ রবের বাড়িতে হামলা চালিয়ে অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ করে।
তৃতীয় অভিযোগ : একইদিন খাগাউড়া এলাকার উত্তরপাড়ায় আসামিদের সহযোগিতায় পাকিস্তানি বাহিনী মঞ্জব আলীর স্ত্রী ও আওলাদ ওরফে আল্লাত মিয়ার ছোট বোনকে ধর্ষণ করে। পরে আল্লাত মিয়ার বোন বিষপানে আত্মহত্যা করেন।
চতুর্থ অভিযোগ : একাত্তর সালের ভাদ্র মাসের যে কোনো একদিন আনছার আলীকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে রাজাকার ক্যাম্পে নিয়ে নির্যাতন চালায় আসামিরা। ওই নির্যাতনে পঙ্গু হন আনছার আলী।
২০০৯ সালে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আকল মিয়ার স্ত্রী ভিংরাজ বিবি হবিগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কগনিজেন্স-৪ এর বিচারক রাজীব কুমার বিশ্বাসের আদালতে মহিবুর রহমান বড় মিয়া ও মজিবুর রহমান আঙ্গুর মিয়ার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে মামলা (নং-২৭০/০৯) করেন।
প্রধান উপদেষ্টাঃ ফয়েজ আহমদ দৌলত
উপদেষ্টাঃ খালেদুল ইসলাম কোহিনূর
উপদেষ্টাঃ মোঃ মিটু মিয়া
উপদেষ্টাঃ অর্জুন ঘোষ
আইন বিষয়ক উপদেষ্টাঃ এড. মোঃ রফিক আহমদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মোহাম্মদ হানিফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : বীথি রানী কর
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ফয়সাল আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান
নিউজ ইনচার্জ : সুনির্মল সেন
অফিস : রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা),
বন্দর বাজার, সিলেট।
মোবাইল : ০১৭১৬-৯৭০৬৯৮
E-mail: surmamail1@gmail.com
Copyright-2015
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি