২৯ বছর পর সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামি প্রাক্তন স্ত্রী ও ডনসহ ১১ জন

প্রকাশিত: ৭:৪৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২১, ২০২৫

২৯ বছর পর সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামি প্রাক্তন স্ত্রী ও ডনসহ ১১ জন

Manual6 Ad Code

সুরমামেইল ডেস্ক :
সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন অভিনেতার মামা আলমগীর কুমকুম। এই মামালায় অভিযুক্ত করা হয়েছে খলঅভিনেতা আশরাফুল হক ডন ও অভিনেতার প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা হককে।

Manual3 Ad Code

 

সোমবার (২০ অক্টোবর) রাজধানীর মহানগর দায়রা জজ আদালত সালমানের হত্যা মামলার পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশের ২৪ ঘন্টা পেরনোর আগেই হত্যা মামলাটি করা হয়। এই মামালার প্রেক্ষিতে ফের জেরার মুখে পড়তে যাচ্ছেন ডন। মামলার বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাড়া দেননি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও মেলেনি উত্তর।

 

১৯৯৬ সালে সালমান শাহর মৃত্যুর পর তার পরিবার অভিযোগ করেছিল খুন করা হয়েছে অভিনেতাকে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পিবিআই জানায়- পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা করেছিলেন সালমান শাহ।

 

প্রায় ৬০০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন তুলে ধরা হয় হত্যার অভিযোগের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে সালমান খুনে অভিযুক্তরা সব দায় থেকে মুক্ত হন। পিবিআই-এর প্রতিবেদনের পর হত্যার অভিযুক্ত তালিকা থেকে মুক্ত মেলে ডনেরও।

 

সেই সময় পিবিআই-এর প্রতিবেদনে সন্তোষ প্রকাশ করে ডন গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন। অবশেষে কলিজার বন্ধুকে হত্যার মিথ্যা অভিযোগ থেকে মুক্ত হলাম। আমি সবসময়ই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলাম।

Manual5 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

প্রায় দুই যুগ ধরে সালমান হত্যা মামলার দায় নিয়ে ঘুরতে হয়েছে উল্লেখ্য তিনি বলেছিলেন, ২৪টা বছর বুকের ভেতর বন্ধু হত্যার মিথ্যা অপবাদ আমাকে নিয়ে ঘুরতে হয়েছে। আমার যে ক্ষতি হয়েছে তার পূরণ কিছুতেই হবে না। আমি ধৈর্য ধরে ছিলাম। সত্য কোনো দিন মিথ্যা হয় না। মিথ্যাকেও কোনো দিন জোর করে সত্যি বানানো যায় না।

Manual3 Ad Code

 

সালমান শাহ হত্যা মামলার দায় থেকে মুক্তির পাঁচ বছর না যেতেই ফের অভিযুক্ত হলেন ডন। এই মামলায় অভিনেতার প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসিসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

 

(সুরমামেইল/এফএ)


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code