ধর্মের নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৩:০৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০১৬

ধর্মের নামে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না : প্রধানমন্ত্রী

Manual2 Ad Code

downloadসুরমা মেইল ডেস্ক :: ধর্মের নামে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তিনি বলেন, বাংলাদেশে কোনো সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান হবে না। ধর্মের নামে কোন সন্ত্রাসী কমকাণ্ডকে আমরা বরদাশত করবো না।

Manual2 Ad Code

শনিবার বিকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে লালবাগের ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শনে এসে তিনি এসব বলেন।

Manual3 Ad Code

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে এদেশের প্রতিটি ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের মানুষ এক হয়ে যুদ্ধ করে এদেশকে স্বাধীন করেছে। সকলের রক্ত একাকার হয়ে মিশে গেছে এ দেশের মাটিতে। মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ সকলে এদেশের স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিয়েছে। তাই সকল ধর্মের মানুষ এদেশে ঐকবদ্ধভাবে বসবাস করবেন- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

Manual2 Ad Code

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব প্রদানকারী দল। তাই এই দল যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে তখনই দেশের উন্নয়ন হয়। কারণ মানুষের কল্যাণ চিন্তাটাই আমাদের কাছে সব থেকে বড়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের সরকার সবসময়ই কঠোরভাবে ব্যবস্থা নিয়েছে এবং আগামীতেও নেবে। কারণ এই দেশে কোন সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান হবে না। ধর্মের নামে কোনো সন্ত্রাসী কমকাণ্ড আমরা বরদাশত করবো না। ইসলাম শান্তির ধর্ম,ভ্রাতৃত্বের ধর্ম। কিন্তু যারা ধর্মের নামে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে তারা ধর্মবিরোধী কাজ করে। ধর্মের অবমাননা করে।’

Manual7 Ad Code

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সংঘাত চাই না সমৃদ্ধি চাই, উন্নতি চাই। এখানে সবাই নিজস্ব মত ও পথ অনুযায়ী শান্তিপূণভাবে ধর্মকর্ম পালন করবে। সকল ধর্মেই শান্তির কথা বলা হয়েছে, মানবতার কথা, মানব কল্যাণ, মানব উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। কাজেই এটা আমাদেরও মেনে চলতে হবে।’

অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি ডিএন চ্যাটার্জী, কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার পাল, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তাপস কুমার পাল, এলাকার সাংসদ হাজী মো. সেলিম এমপি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জয়ন্ত সেনগুপ্ত বক্তব্য রাখেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সেবায়েত প্রদীপ কুমার চক্রবর্তীসহ মন্দিরে আগত ভক্তরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code