সিলেট ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৯:০৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১০, ২০২৩
দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে মোঃ ফয়সাল ইসলাম নামে এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
সোমবার (০৯ অক্টোবর) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। এ ঘটনার পরপর থেকেই ফয়সল ইসলামের স্ত্রীর প্রেমিক রবিউল ও তার বাবা পলাতক রয়েছেন।
ফয়সাল ইসলাম (২৮) উপজেলার পান্ডারগাঁও ইউনিয়নের পলিরচর গ্রামের সমর আলীর ছেলে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, নিহত ফয়সাল ইসলামের স্ত্রী হালিমা আক্তার ছয় মাস পুর্বে সৌদি আরব যান। দেশে রবিউল ইসলাম নামের এক প্রতিবেশীর সাথে হালিমা আক্তারের মোবাইল ফোনে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। এরই জেরে ফয়সাল ও রবিউলের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে ঝগড়া-বিবাধ চলছিল। এনিয়ে পান্ডারগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহিদ ও স্থানীয় লোকজন একাধিকবার বিচার-সালিশ করেছেন। এমনকি বিচার শালিশে রবিউলের কাছ থেকে মুচলেকাও আদায় করেন বিচারকগণ।
পরবর্তীতে ফয়সলের স্ত্রীর সাথে মোবাইল ফোনে রবিউল ইসলাম যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে রবিউলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে বলে সালিশে সিদ্ধান্ত হয়।
একদিন আগে ফয়সলের স্ত্রীর সাথে রবিউলের ভিডিও কলে কথা বলার কথা আশপাশের লোকজনকে সাথে জানান ফয়সাল। এরপর গত রোববার রাতে ফয়সল ও রবিউলের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।
সোমবার (০৯ অক্টোবর) সকালে রবিউল ইসলামের আধাপাঁকা টিনসেড বসত ঘরের বারান্দা থেকে ফয়সালের গলায় গামছা প্যাঁচানো লাশ উদ্ধার করে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়।
এদিকে নিহত ফয়সাল আহমেদের মা আয়শা খাতুন জানিয়েছেন, তিনি সকালে ফজরের নামাজ শেষে ঘরের বাইরে যাওয়ার পর দেখেন রবিউলের বারান্দায় আমার ছেলের লাশ তারা দেখাদেখি করছে। আমার ধারণা আমার ছেলেকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন রবিউল ইসলাম ও তার বাবা।
(সুরমামেইল/এসএসডি)
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি