এমবাপের জোড়া গোলে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স

প্রকাশিত: ১১:৪৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৪, ২০২২

এমবাপের জোড়া গোলে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স

Manual4 Ad Code

খেলাধুলা ডেস্ক :
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের গ্রুপপর্ব থেকে বিদায়ের অতীত স্মৃতি চোখ রাঙাচ্ছিল ফ্রান্সকে। কিন্তু এমবাপে-দেম্বেলে-জিরোডরা কি সেই চোখ রাঙানিকে ভয় পায়? ১৬ বছর পর প্রথমবার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বের বাধা পেরিয়ে নকআউট পর্বে আসে তারা।

 

Manual1 Ad Code

এরপর শেষ ষোলোর প্রথম ম্যাচে রোববার (০৪ ডিসেম্বর, ২০২২) আল থুমামা স্টেডিয়ামে পোল্যান্ডের বিপক্ষে অনায়াস জয় তুলে নেয় তারা। পোলিশদের হারায় ৩-১ গোলে। এমন জয়ে জোড়া গোল করেছেন কালিয়ান এমবাপে। অপর গোলটি করেন অলিভার জিরোড। আর অন্তিম মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান কমান রবার্ত লেভানডোফস্কি।

Manual2 Ad Code

 

কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড ও সেনেগালের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলের মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

 

এদিন শুরু থেকেই দারুণ আক্রমণ শানাচ্ছিল ফ্রান্স। কিন্তু জালের নাগাল পাচ্ছিল না। শুরুতেই মিস করেন ভারানে। এরপর ১৭ মিনিটে ওসমানে দেম্বেলের নেওয়া শট ধরে ফেলেন পোল্যান্ডের গোলরক্ষক সেজেসনি। ২১ মিনিটে পোল্যান্ডের লেভানডোফস্কি একটি সুযোগ মিস করেন বাইরে দিয়ে মেরে।

 

তবে ২৯ মিনিটে নিশ্চিত গোলের সুযোগ মিস করেন অলিভার জিরোড। এ সময় আক্রমণে ওঠে ফ্রান্স। ডানদিক থেকে দেম্বেলে বল বাড়িয়ে দেন বক্সের মধ্যে। সেখানে ছিলেন জিরোড। পোল্যান্ডের গোলরক্ষক ছিলেন কিছুটা সামনে। একদম ফাঁকা পোস্টে বল জড়াতে ব্যর্থ হন জিরোড। তিনি দারুণ চেষ্টা করেও জালে জড়াতে পারেননি। বল পোস্ট ঘেষে বাইরে চলে যায়।

 

Manual7 Ad Code

৩৮ মিনিটে জটলার মধ্যে গোলের সুযোগ পেয়ছিল পোল্যান্ডও। কিন্তু দুই দফা চেষ্টা করেও বল জালে প্রবেশ করাতে পারেননি জিলিনস্কি ও কামিনস্কি। তবে ৪৪ মিনিটে অলিভার জিরোড আর সুযোগ মিস করেননি। এ সময় মাঝমাঠের একটু সামনে থেকে সতীর্থের পাসে বল পান এমবাপে। তিনি বল বাড়িয়ে দেন জিরোডকে। জিরোডে বক্সের ভেতরে বলের নিয়ন্ত্রণ নেন। তার সামনে ছিলেন কেবল পোল্যান্ডের গোলরক্ষক সেজেসনি। তাকে পরাস্ত করে বাম পায়ের শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়ান।

 

জাতীয় দলের জার্সি গায়ে এটি ছিল জিরোডের ৫২তম গোল। এই গোলের মধ্য দিয়ে তিনি পেছনে ফেলেন থিয়েরে অঁরিকে। হয়ে যান ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। তার গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ফঁরাসিরা।

 

বিরতির পর ৭৪ মিনিটে এমবাপের গোলে ব্যবধান বেড়ে হয় ২-০। এ সময় মাঝ মাঠের কিছুটা সামনে নিজেদের অর্ধে বল পান এমবাপে। সামনে এগিয়ে বামদিকে বাড়িয়ে দেন ওসমানে দেম্বেলেকে। এরপর চলে যান পোল্যান্ডের ডি বক্সের সামনে। সেখানে তাকে আবার বল বাড়িয়ে দেন দেম্বেলে। বক্সে ঢুকেই বল প্রায় ১০ গজ দূর থেকে ডান পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।

 

ম্যাচের যোগ করা সময়ে (৯০+১) এমবাপে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করলে ব্যবধান হয় ৩-০। এ সময় মার্কাস থুরামের বাড়িয়ে দেওয়া বল ডানদিকে বক্সের মধ্যে পেয়ে যান তিনি। সেখান থেকেই আড়াআড়ি শট নেন। বল দূরের পোস্টের উপরের অংশ দিয়ে জালে জড়ায়।

 

Manual3 Ad Code

ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে পেনাল্টি পায় পোল্যান্ড। পেনাল্টি থেকে প্রথম দফায় গোল করতে পারেননি লেভানডোফস্কি। তার নেওয়া শট বামদিকে লাফিয়ে পড়ে রুখে দেন হুগো লরিস। কিন্তু তিনি আগেই গোললাইন ছেড়ে বেরিয়ে আসায় বাতিল হয় সেটি। আবার নতুন করে পেনাল্টি নিয়ে জালে জড়াতে মিস করেননি পোলিশ তারকা। তাতে অবশ্য কেবল ব্যবধানই কমে। ৩-১ গোলের জয়ে নিশ্চিত হয় ফ্রান্সের কোয়ার্টার ফাইনাল।


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code