সিলেট ২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:২৫ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৪, ২০২৪
নিহত ৫ জন হলেন- তাজ উদ্দিন, নাজমুল ইসলাম, সানি আহমদ, হাসান আহমদ, গৌছ উদ্দিন ও মিনহাজ উদ্দিন। বাঁ থেকে
সুরমামেইল ডেস্ক :
সিলেটের গোলাপগঞ্জে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত ছয়জনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে তোলা হবে। এরইমধ্যে ছয়টি মরদেহ তোলার জন্য ছয়জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সব প্রস্তুতি শেষ হলে যেকোনো সময় মরদেহগুলো কবর থেকে তোলা হবে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর পৃথকভাবে সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-২ এর বিচারক আবিদা সুলতানা মলি নিহত ছয়জনের মরদেহ তোলার আদেশ দেন।
আদালত ও গোলাপগঞ্জ থানার ওসি মীর মো. আব্দুন নাসের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত ৪ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের আগেরদিন গোলাপগঞ্জে ছাত্র-আন্দোলনে গুলিতে নিহত হন উপজেলার নিশ্চিন্ত গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে নাজমুল ইসলাম (২৪), দক্ষিণ রায়গড় গ্রামের মৃত সুরই মিয়ার ছেলে হাসান আহমদ জয় (২০), শিলঘাট গ্রামের কয়ছর আহমদের ছেলে সানি আহমদ (২২), বারকোট গ্রামের মৃত মকবুল আলীর ছেলে তাজ উদ্দিন (৪০), দত্তরাইল বাসাবাড়ি এলাকার আলাই মিয়ার ছেলে মিনহাজ আহমদ (২৩) ও ঘোষগাঁও ফুলবাড়ি গ্রামের মোবারক আলীর ছেলে গৌছ উদ্দিন (৩৫)।
এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গোলাপগঞ্জ থানায় পৃথকভাবে ছয়টি মামলা হয়। আরো একটি মামলা করা হয় আদালতে। সবকটি মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ কয়েকশ ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের সূত্র জানায়, সরকার পতনের কারণে সেসময় মরদেহগুলো ময়নাতদন্ত করা হয়নি। যে কারণে ময়নাতদন্তের জন্য মামলাগুলোর তদন্ত কর্মকর্তারা আদালতে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কবর থেকে মরদেহ তোলার আদেশ দিয়েছেন। এরইমধ্যে ছয়টি মরদেহ কবর থেকে তোলার জন্য সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ছয়জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
গোলাপগঞ্জ থানার ওসি মীর মো. আব্দুন নাসের বলেন, এরইমধ্যে ছয়জন ম্যাজিস্ট্রেটকে ছয়টি মরদেহ তোলার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে আলোচনা করে যেকোনো সময় কবর থেকে মরদেহ তোলা হবে।
(সুরমামেইল/এফএ)
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি