জগন্নাথপুরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২, গ্রেপ্তার ৪

প্রকাশিত: ১:১৬ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

জগন্নাথপুরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২, গ্রেপ্তার ৪

Manual1 Ad Code

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে হাওরে বোরো জমিতে পানি সেচ ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

 

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মুজিবুর রহমান।

Manual4 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

নিহতরা হলেন- মতিউর রহমান (৫০) ও মুজিবুর রহমান (৪৮)।

 

এরআগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের পীরেরগাঁও চন্দ্রীহেমাদপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

Manual3 Ad Code

জানা যায়, গ্রামের মৃত আছির উল্লাহর ছেলে আবুল কাশেম ও আরব উল্লাহর ছেলে আলমগীর মিয়ার মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাওরে বোরো জমিতে পানি সেচ ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি ও বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিরোধের জেরে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় মতিউর রহমানকে জমিতে ফেলে মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

 

মতিউর রহমানের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।

 

তাদের মধ্যে মুজিবুর রহমানকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

 

এদিকে, সংঘর্ষের খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আবুল কাসেম (৫৫), সাছারুন (৪০), সেফালী বেগম (৩৫) ও বাহারুন বেগমকে (৫০) তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার রাতে জগন্নাথপুর থানা পুলিশের একটি দল তাদের আটক করে।

 

জগন্নাথপুর থানার ওসি নুর হোসেন বলেন, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার সকালে তাদের সুনামগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। কেউ লিখিত অভিযোগও করেননি।

 

তিনি বলেন, এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

Manual2 Ad Code

 

(সুরমামেইল/এসএম)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code