সিকৃবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত

প্রকাশিত: ৬:৫৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৯, ২০২৪

সিকৃবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত

Manual7 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দিনভর অবরুদ্ধ থাকার পর বেলা ৫টায় তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস ও তদন্তকালে প্রক্টর দায়িত্বে থাকবেন না এমন আশ্বাসে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) আন্দোলন স্থগিত করেছে শিক্ষার্থীরা। আগামীকাল (বুধবার) কমিটি গঠন হলে পরদিন (বৃহস্পতিবার) থেকে ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নেবে শিক্ষার্থীরা।

 

প্রক্টর-রেজিস্টারের পদত্যাগসহ সাত দফা দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে বিক্ষোভ করে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

 

Manual1 Ad Code

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকে ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে মিছিল করেন দফায় দফায়। এ সময় তারা প্রশাসনিক ভবনে তালা দিলে ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন ভিসি মো. আলিমুল ইসলামসহ অন্যরা।

 

শিক্ষার্থীরা বাইরে সিকৃবি প্রশাসন ভুয়া ভুয়া বলে স্লোগান দিতে থাকেন। দিনভর উত্তেজনা পরিস্থিতি শেষে বিকেল ৫টায় প্রশাসনিক ভবনের নিচে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন ভিসি আলিমুল ইসলাম। পরে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেয়।

 

এরআগে সোমবার ভিসির সাথে বৈঠকে কোনো সমাধান না আসায় আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে মিছিল নিয়ে প্রশাসনিক ভবনে গিয়ে তালা দেয় তারা। এর আগে রোববারও প্রশাসনিক ভবনে তালা দিলেও সোমবার তালা খুলে দেওয়া হয়।

 

Manual8 Ad Code

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ২৪ অক্টোবর একটি ছাত্রসংগঠন ও বহিরাগতদের সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে প্রশাসন। পাশাপাশি পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে দাবি করা হয়েছে- যা অপমানজনক। তাই তারা প্রক্টর, রেজিস্টার, গণসংযোগ কর্মকর্তাসহ পুরো প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ দাবিতে রোববার থেকে আন্দোলন শুরু করেন। তারা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে প্রশাসনিক ভবনে তালা দেয়। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

 

গত বৃহস্পতিবার নতুন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে ক্যাম্পাসের বাইরে ছাত্রদলের টানানো একটি ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একই সময়ে কিছু বহিরাগত এতে যোগ দেয় বলে অভিযোগ আছে। সংঘর্ষে মোট ১০ জন আহত হন। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এছাড়া কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।

 

অন্যদিকে ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা ও গত ২৪ অক্টোবর রাতে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনাকে ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড আখ্যা’ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার ট্যাগ দিয়ে বিবৃতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা প্রক্টর, রেজিস্ট্রার ও প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সকল দাবি দাওয়া না মেনে নেওয়া পর্যন্ত সকল সাধারণ সকল ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়ে আন্দোলন শুরু করেন।

 

Manual1 Ad Code

(সুরমামেইল/এমকেএইচ)

Manual2 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code