কমলগঞ্জে প্রেমের ফাঁদে স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে ‘দলবদ্ধ ধর্ষণ’, আটক ৫

প্রকাশিত: ৭:৪৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

কমলগঞ্জে প্রেমের ফাঁদে স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে ‘দলবদ্ধ ধর্ষণ’, আটক ৫

Manual4 Ad Code

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
জেলার কমলগঞ্জে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ষষ্ঠ শ্রেণির ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে পাঁচ দিন আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Manual6 Ad Code

 

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবার করা মামলায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।

 

Manual4 Ad Code

গ্রেফতাররা হলেন- মৌলভীবাজার সদর উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের হাসানপুর গ্রামের মো. জাহেদ আহমেদ (২৪), রাজনগর উপজেলার খারপাড়া গ্রামের রাজু আহমেদ (২২) এবং একই উপজেলার বাহাদুরগঞ্জ গ্রামের জুবেল মিয়া (৩০)। মামলার অপর আসামি রাজনগর হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা কবির (৩০) এখনো পলাতক রয়েছেন।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রধান অভিযুক্ত জাহেদ আহমেদের সঙ্গে মুঠোফোনে ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর সূত্র ধরে গত ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে তাকে ফুসলিয়ে বাড়ি থেকে বের করে নেওয়া হয়। পরে মৌলভীবাজার শহরের চাঁদনীঘাট থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে রাজনগরের বাহাদুরগঞ্জে আসামি জুবেল মিয়ার বসতবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে সহযোগীদের নিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়।

Manual3 Ad Code

 

পরবর্তীতে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধান অভিযুক্ত জাহেদের বাড়িতে আটকে রেখেও ওই ছাত্রীর ওপর নির্যাতন চালানো হয়। টানা নির্যাতনে ছাত্রীটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে আসামিরা তাকে কমলগঞ্জের রহিমপুর ইউনিয়নের একটি নির্জন সড়কের পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার কলিমাবাদ ও গিয়াস নগর এবং রাজনগরের গাঙপার এলাকা থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ভোরে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে কমলগঞ্জ থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

 

Manual8 Ad Code

কমলগঞ্জ থানার ওসি কমর উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতার আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পলাতক আসামি কবিরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

(সুরমামেইল/এমবিএন)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code