সিলেট ২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১:২৫ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৪
নিজস্ব প্রতিবেদক :
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে সাত জনের মৃত্যুর হয়েছে। বজ্রপাতের ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঝড় ও বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হলে তাদের মৃত্যু হয়।
বজ্রপাতে নিহতদের মধ্যে সিলেটের জৈন্তাপুরে দুই জন, কানাইঘাটে দুই জন, কোম্পানীগঞ্জে একজন, গোয়াইনঘাটে একজন এবং সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে একজন নিহত হয়েছেন।
।আরও পড়ুন
জৈন্তাপুরে নিহতরা হলেন উপজেলার নয়াগ্রাম আগফৌদ গ্রামের নুরুল হকের ছেলে নাহিদ আহমদ (১৭) এবং ববরবন্দ গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে আব্দুল মান্নান (৪৫)।
জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ দুইটির সুরতহাল প্রস্তুত করেছে।
এদিকে, কানাইঘাট উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত হন উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ ইউনিয়নের কেওটিহাওর গ্রামের আব্দুল মিয়ার ছেলে কালা মিয়া (৩০) ও বাড়ির পাশের নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে পৌরসভার বাসিন্দা দলইমাটি গ্রামের নুর উদ্দিন (৫৭)। এ সময় তার সঙ্গে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন কয়েকজন। তাদের মধ্যে চারজন আহত হয়েছেন।
কানাইঘাট থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিকেল ৪টার দিকে দুই জনের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়েছে।
অপরদিকে, গোয়াইনঘাটের ভিত্রিখেল হাওর গ্রামের রাজ্জাক মিয়ার স্ত্রী রুকসানা বেগম (৪৭) বজ্রপাতে অচেতন হয়ে পড়েন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই সময় বজ্রপাতে আহত হন নিয়াগোল গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে ইসমাইল আলী (১৮)। তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।
অন্যদিকে কোম্পানীগঞ্জে হাওর থেকে হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মো. নেজামুল হক (২১) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার ইছাকলস ইউনিয়নের পুটামারা গ্রামের ছুরফান মিয়ার ছেলে। কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি বদিউজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।
এদিকে, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় বজ্রপাতে দ্বীন ইসলাম (৬৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি একই গ্রামের মৃত সলতু মিয়ার ছেলে। দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের সিরাজপুর চরপারা গ্রামে নিজ বাড়ির সামনে চারা খেতে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য কালাম হোসেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বাড়ির সামনে চারা খেতে দ্বীন ইসলাম লাকড়ি শুকাতে দিয়েছিলেন। দুপুরে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন দেখে লাকড়িগুলো আনতে গেলে আকষ্মিক বজ্রাঘাতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মফিজুর রহমান জানিয়েছেন, বজ্রপাতে নিহত কৃষককে আর্থিক সহায়তা করা হবে।
(সুরমামেইল/এফএ)
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি