সিলেট ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:০৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক:
থানা পুলিশের অভিযানে সিলেটের পৃথক স্থান থেকে ভারতীয় কম্বল ও কমলার চালানসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া চোরাইপণ্য পরিবহনের দায়ে কাভার্ড ভ্যান একটি জব্দ করা হয়।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল পৌণে ৯টায় ও বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সিলেটের মোগলাবাজার ও শাহপরান (রহঃ) থানা পুলিশ ভারতীয় চোরাইপণ্যসহ তাদের আটক করে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে প্রেরিত পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়- সোমবার মোগলাবাজার থানাধীন শ্রীরামপুর গোল চক্করে একটি কাভার্ড ভ্যানকে (রেজিঃ নং ঢাকা মেট্রো-ট ১৮-২৬২৯) সিগন্যাল দিলে গাড়ির চালক সিগন্যাল অমান্য করে দ্রুত আলমপুরের দিকে দ্রুত গতিতে চলে যায়। পরে গাড়িটির পিছু ধাওয়া করে আলমপুর পিওএম পুলিশ লাইন্সের সামনে বেরিকেড দিয়ে কাভার্ড ভ্যানটি থামিয়ে তল্লাশী করে ৪৩০ পিছ ভারতীয় কম্বল এবং ৮০ ক্যারেট ভারতীয় কমলা উদ্ধার করে।
আটক করা হয় চালক মো: লিটন মিয়াকে। তিনি লক্ষীপুর জেলার রায়পুর থানাধীন চর আবাবিল (হাওলাদারবাড়ি) গ্রামের মোঃ আবদুল আলী হাওলাদারের ছেলে।
উদ্ধারকৃত ভারতীয় কম্বলের আনুমানিক মূল্য ১২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা এবং ৮০ ক্যারেট ভারতীয় কমলার আনুমানিক মূল্য ৪ লক্ষ ৩ হাজার ২শ’ টাকা সর্বমোট ১৬ লক্ষ ৯৩ হাজার ২শ’ টাকা।
অপরদিকে শাহপরান (রহঃ) থানা পুলিশের অভিযানে সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের বটেশ্বরস্থ জালালাবাদ বোর্ড ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের চেকপোষ্ট চলাকালে একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে ১২১ পিস ভারতীয় কম্বল উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৪ লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা। এ সময় চোরাচালানের সাথে জড়িত তিনজনকে আটক করে পুলিশ।
আটকৃতরা হলো- কিশোরগঞ্জ থানাধীন কিশোরগঞ্জ সদর থানাধীন আমাদি (শিবপুর) গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে মোঃ সোহাগ হোসেন (২৯), নরসিংদী জেলার নরসিংদী সদর থানাধীন নাগরিয়া কান্দি গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে মোঃ আসিফ মিয়া (২০) ও হবিগঞ্জ জেলার হবিগঞ্জ সদর থানাধীন শায়েস্তানগর গ্রামের মোঃ মাসুক মিয়ার ছেলে মোঃ জনি মিয়া (২২)।
পৃথক ঘটনায় মোগলাবাজার এবং শাহপরান (রহঃ) থানায় মামলা দায়েরের পর আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
(সুরমামেইল/এফএ)
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি