সিসিকের অপসারিত মেয়র আনোয়ারুজ্জামানের বাসার দরজায় দুদকের নোটিশ

প্রকাশিত: ৯:৫৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫

সিসিকের অপসারিত মেয়র আনোয়ারুজ্জামানের বাসার দরজায় দুদকের নোটিশ

Manual4 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) অপসারিত মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও তার পরিবারের সদস্যদের বৈধ উপায়-বহির্ভূত অবৈধ সম্পত্তির মালিক হয়েছেন বলে নিশ্চিত হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সম্পত্তির পূর্ণ বিবরণ ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দুদক কার্যালয়ে জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছে দুদক।

 

দুদকের পরিচালক (মানি-লন্ডারিং) মোহাম্মদ মোরশেদ আলম স্বাক্ষরিত একটি আদেশের কপি আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর সিলেট নগরীর পাঠানটুলাস্থ বাসার দরজায় টাঙানো হয়েছে।

 

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুদক কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আসা ৩ সদস্যের একটি দল এ নোটিশ টাঙায়।

 

Manual2 Ad Code

এ তথ্য নিশ্চিত করেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান।

নোটিশে বলা হয়েছে- প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের স্থির বিশ্বাস যে- আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, জ্ঞাত আয়ের বহির্ভূত স্বনামে বা বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন।

 

Manual2 Ad Code

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ধারা ২৬ এর উপধারা (১) এর ক্ষমতাবলে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, তার স্ত্রী ও তার উপর নির্ভরশীলদের স্বনামে বা বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর, অস্থাবর, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী আদেশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে জমা দেয়ার জন্য নোটিশে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

 

এরমধ্যে বিবরণী জমা না দিলে কিংবা মিথ্যা বিবরণী জমা দেয়া হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

Manual7 Ad Code

 

এ ব্যাপারে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর নামে দুদকে একটি অনুসন্ধান চলমান আছে। সেখানে কমিশন কর্তৃক জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সন্তোষজনক তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে, তখন তাকে সম্পদের বিবরণী দেয়ার জন্য একটি আদেশ জারি করা হয়েছে, সেটা তার বর্তমান ঠিকানায় নোটিশটি টাঙানো হয়েছে।

Manual1 Ad Code

 

তিনি বলেন, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট যখন উপস্থিত থাকেন, তখন তার কাছেই দেয়া হয়। আমরা তার স্থায়ী ঠিকানায়ও গিয়েছি, তিনি নেই। বর্তমান ঠিকানায়ও যখন দেখি তিনি নেই, তখন আমরা এটা বাসার সামনে দৃশ্যমান জায়গায় নোটিশটি টাঙিয়ে দিয়েছি।

 

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী পলাতক রয়েছেন।

 

(সুরমামেইল/এফএ)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code