দুর্গাপূজায় সিলেট সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

প্রকাশিত: ১:৪০ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫

দুর্গাপূজায় সিলেট সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

Manual6 Ad Code

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :
সিলেটের জকিগঞ্জ, কানাইঘাট ও জৈন্তাপুরসহ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে বর্ডারগার্ড ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আট প্লাটুন সদস্য ৫২টি পূজামণ্ডপে মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপন করতে পারেন।

 

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ১৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুবায়ের আনোয়ার, পিএসসি নিজে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

 

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুবায়ের আনোয়ার, পিএসসি বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি সামাজিক সম্প্রীতি ও মিলনমেলার উৎসব। পূজা যাতে সুষ্ঠু ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হয়, সেই জন্য আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছি।

Manual5 Ad Code

 

সিলেট জেলার অন্যান্য ব্যাটালিয়নের অধিনায়করা ও বিজিবি সদস্যরাও পূজা উপলক্ষে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন।

Manual5 Ad Code

 

Manual7 Ad Code

৪৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ নাজমুল হক বলেন, সীমান্তবর্তী সব পূজামণ্ডপে বিজিবি সদস্যরা সর্বদা সতর্ক। নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকার কারণে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করতে পারছে। আমরা চাই উৎসব শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন হোক।

 

২৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাকারিয়া কাদির বলেন, নিরাপত্তা আমাদের মূল অগ্রাধিকার। উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের জন্য আমরা প্রতিনিয়ত প্রস্তুত।

 

উল্লেখ্য, জেলার ১৯, ২৮ ও ৪৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সীমান্ত ও সংবেদনশীল এলাকায় টহল, নজরদারি ও জরুরি সাড়া ব্যবস্থা চালাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ে তারা নিশ্চিত করছেন যে, কেউ কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার মুখোমুখি হবেন না।

 

স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা বলেন, বিজিবি ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সহযোগিতায় আমরা নিরাপদে পূজা উদযাপন করতে পারছি। আমাদের আনন্দমুখর উৎসবকে শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করতে পেরে অত্যন্ত খুশি।

 

এক হিন্দু পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য জানান, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকায় পরিবার-পরিজন সবাই মিলিত হয়ে পূজা উদযাপন করতে পারছে। আমরা চাই এই উৎসব সবার জন্য আনন্দময় ও নিরাপদ হোক।

 

(সুরমামেইল/জেআই)

Manual5 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code