সিলেটের রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষপাতের অভিযোগ এনসিপির এহতেশামের

প্রকাশিত: ৮:০৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৬, ২০২৬

সিলেটের রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষপাতের অভিযোগ এনসিপির এহতেশামের

Manual6 Ad Code

মেইল ডেস্ক:
মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ে সিলেট-১ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী এহতেশামুল হকের মনোনয়ন বাতিল করায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

Manual7 Ad Code

 

Manual8 Ad Code

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘সারোয়ার আলম একজন সেলিব্রেটি অফিসার। তিনি নিবেদিত প্রাণ ও কর্মঠ। আমি মনে করি তিনি হয়ত অবচেতনভাবেই মনে করেছেন বিএনপির প্রার্থী হেভিওয়েট-আমি উনাকে ছাড় দিতেই পারি। আর আমি (এহতেশামুল হক) ছোট দলের প্রার্থী- তাকে বাদ দিতেই পারি।’

 

মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

Manual6 Ad Code

 

তিনি বলেন, ‘আমি তার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি- পুরো দেশজুড়ে আমলাতন্ত্রের যারা আছেন, যারা অসৎ তারা কি করবে, মূল মেসেজটাই এটা। আমার মনে হয় না তিনি সচেতনভাবে এটা করেছেন।’

 

নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নাই।’

 

তিনি বলেন, ‘আমরা যারা রাজনীতি করি আমরা জনপ্রতিনিধি, কোন কিছু হলে আমরা জনগণের সামনে যাব। আমাদের দেশের একটা রাজনৈতিক প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়- সরকারি চাকরিজীবিরা জনপ্রতিনিধিদের মতো আচরণ করে। সেলিব্রেটিদের মতো- তাদের পেছনে পেছনে যাতে ক্যামেরা ঘুরে, শ্রুতিবাক্য-কবিতা লেখা হয়, ছবি তোলা হয়।

 

জনগণের ট্যাক্সে আপনারা বেতন পান আপনাদের এতো সেলিব্রেটি হওয়া তো বিপজ্জনক। পৃথিবীর কোন সভ্য দেশে এমন কোন উদাহরণ পাবেন না। তারা অলমোস্ট রাজনৈতিকভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন- তারা এটা কেন করেন, যাতে হয়ত অবসরে যাওয়ার পর রাজনীতিতে আসবেন। সরকারি চাকুরিজীবি ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সেপারেশানটা থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

 

এক প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, ‘আপনারা যখন অনুসন্ধান করেছেন তখন সারোয়ার আলম বলেছেন- মালেক সাহেবের নাগরিকত্ব বাতিলের সার্টিফিকেট পেয়েছেন। তাহলে তো ভেরিফিকেশান করার কিছু নাই। মালেকেও উনার আবেদন কপি দিয়েছেন। ওই আবেদন কপি উনি সার্টিফাইড করতে পারেন দশজনের কাছে। আমি হয়ত পাঁচজনের কাছে করতে পারি অথবা নাও করতে পারি। আইনের চোখে দুটোই আবেদনপত্র। আমার আবেদনপত্র গৃহীত হয়েছে কিনা এটা কনফার্ম করতে পারে একমাত্র হোম অফিস। সেক্ষেত্রে হোম অফিস বন্ধ বলা হয়েছে মালেকের ক্ষেত্রে, আমার ক্ষেত্রে কি হয়েছে তা আপনাদের কাছে পরিষ্কার হয়েছে।’

 

এর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এহতেশামুল হক যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগের কোন কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তবে তার হলফনামায় উল্লেখ আছে, গত ২২ অক্টোবর তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।

 

এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তি নেই। কারণ এম এ মালেক হোম অফিসের একটা সার্টিফিকেট আমাদের কাছে জমা দিয়েছেন। রোববার হোম অফিস বন্ধ ছিলো আবার যাঁচাই বাছাইয়ের শেষ দিন ছিলো। তাই আমরা তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করি। তবে ইতোমধ্যে আমরা হাই কমিশনে চিঠি পাঠিয়েছি।’

 

তিনি বলেন, ‘এনসিপি প্রার্থী এহতেশামুল হক আমাদের কোনো সার্টিফিকেট জমাই দিতে পারেননি। আমরা কোথাও কোনোভাবেই বৈষম্য দেখাইনি।’

 

Manual4 Ad Code

(সুরমামেইল/এমকে)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code