সিলেট ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ, মে ২৫, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেটে ধর্ষণের পর খুন হওয়া ফাহিমার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ সাজা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যায় তিনি জালালাবাদ থানাধীন সোনাতলা এলাকায় ফাহিমাদের বাড়িতে যান। সেখানে চার বছর বয়সী শিশু ফাহিমা আক্তারের মা-বাবা ও স্বজনদের সান্তনা দেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
এ সময় তিনি বলেন, আমরা আশা করছি, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন ঈদের আগেই আসবে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই পুলিশের পক্ষ থেকে চার্জশিট দেওয়া হবে। ফাহিমার হত্যাকারীর বিচার হবে এবং সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করা হবে।
ফাহিমার মায়ের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘আপনার কষ্টের কোনো অন্ত নেই। মায়ের কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আল্লাহ আপনার মনকে শান্ত করবেন। আমি সিলেটের পুলিশের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা পুলিশ কমিশনার সাহেবকেও সঙ্গে এনেছি আপনাদের সঙ্গে দেখা করানোর জন্য। আপনি আস্থা রাখুন, ফাহিমার হত্যাকারীর বিচার হবে এবং সর্বোচ্চ সাজা হবে।’
ফাহিমার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করে বাণিজ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘জাকিরের সহযোগীরাও পুলিশের নজরদারিতে আছে। ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন ঈদের আগেই আসবে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই পুলিশের পক্ষ থেকে চার্জশিট দেওয়া হবে। অপরাধ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, কিন্তু এটি সবচেয়ে জঘন্য অপরাধগুলোর একটি। এই জঘন্য ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে এবং আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হবে। বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সরকার ও প্রশাসন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির নিহত ফাহিমার পরিবারের বসতঘর সংস্কার করে দেওয়ার দায়িত্ব নেন।
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন- সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম এবং সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী।
এরআগে, রোববার বিকালে সিলেট সিটি করপোরেশনে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঈদ অনুদানের চেক বিতরণ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে নগর ভবনে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।
সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেবসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ৪১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং সিসিকের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৬ লাখ ৫৫ হাজার টাকাসহ মোট ৫৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা বিশেষ অনুদান হিসেবে বিতরণ করা হয়। এর আওতায় সিসিকের ১ হাজার ১৫৮ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর প্রত্যেককে নগদ ৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়।
(সুরমামেইল/এফএ)
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি