মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতিজির মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত: ৮:৪৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতিজির মরদেহ উদ্ধার

Manual3 Ad Code

বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Manual4 Ad Code


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতিজিকে বীরভূমের রামপুরহাটের একটি গ্রামে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

 

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ২৮ বছর বয়সী বৃষ্টি মুখার্জির মৃত্যু হয়।

 

স্থানীয় সূত্রের দাবি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। বীরভূমের রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামের বাসিন্দা বৃষ্টি মুখার্জি বোলপুরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কর্মী হিসেবে চাকরি করতেন। ২০২৩ সালের মার্চে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর চাকরি বাতিল হয়ে যায়।

 

২০২৩ সালে পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মী মিলিয়ে প্রায় ২৬ হাজার জনের নিয়োগ বাতিল করা হয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী- অনিয়ম, প্রভাব খাটানো এবং অর্থের বিনিময়ে এসব নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কলকাতা হাইকোর্ট নিয়োগগুলো বাতিল করার পর ভারতের সুপ্রিম কোর্টও সেই সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।

Manual1 Ad Code

 

Manual4 Ad Code

বৃষ্টির বাবা নিহার মুখার্জি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই এবং স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা। পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, আদালতের রায়ের পর থেকেই বৃষ্টি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।

 

Manual4 Ad Code

চাকরিচ্যুতদের তালিকায় বৃষ্টির নাম ছিল ৬০৮ নম্বরে। তবে তাঁর পরিবারের দাবি, স্বাস্থ্যগত কারণে চাকরিতে যোগ দেওয়ার এক দিন পরই তিনি পদত্যাগ করেছিলেন।

 

২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) মাধ্যমে অনুষ্ঠিত রাজ্যস্তরের নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রায় ১৫ বছরের শাসনামলে এটিকে অন্যতম বড় দুর্নীতির ঘটনা হিসেবে দেখা হয়। মামলায় তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন বিধায়ক এবং স্কুল সার্ভিস কমিশন ও শিক্ষা বোর্ডের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রও দেওয়া হয়েছে।

 

এদিকে চাকরি বাতিল হওয়া কর্মীদের মধ্যে যারা প্রকৃত অর্থে যোগ্য এবং কোনো ‘অন্যায্য পদ্ধতি’ অবলম্বন না করে চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের পুনর্বহাল বা নতুন করে নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ করতে সুপ্রিম কোর্ট আগে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সোমবার (৩১ আগস্ট) আদালত সেই সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী বছরের ৩১ মে পর্যন্ত করেছেন।

 

(সুরমামেইল/এমকে)


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code