সিলেট ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৮:০৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক :
আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে সিলেট নগরীতে কোন অবৈধ যানবাহন চলাচল করবে না। এছাড়া বসতে পাড়বে না অবৈধ স্ট্যান্ড।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) সদর দপ্তরের সভাকক্ষে পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম’র সভাপতিত্বে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সাথে সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ তাদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। এ সময় পুলিশ কমিশনার তা সমাধানে আশ্বাস প্রদান করেন।
উক্ত সভায় উপস্থিত পরিবহন সংগঠনের সদস্যদের উদ্দেশ্যে পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘আমাদের এই শহরকে পরিচ্ছন্ন ও যানজটমুক্ত রাখতে হলে সকলকে ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে। মেট্রোপলিটন এলাকায় কোনোভাবেই অবৈধ যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হবে না। রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়ি, রুট পারমিটবিহীন গাড়ি, ডুপ্লিকেট লাইসেন্সধারী ও চোরাই গাড়ি, অবৈধ অটোরিকশা এবং অবৈধ সিএনজি স্ট্যান্ডের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। স্ট্যান্ড ব্যতীত কোনো যানবাহন যত্রতত্র পার্কিং করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, আগামী ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব অবৈধ যানবাহন মেট্রোপলিটন এলাকা থেকে সরিয়ে নিতে হবে।পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে এসব অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, ‘বাহির থেকে নগরীতে চিকিৎসা ও অন্যান্য সেবার জন্য আগত যাত্রীদের নির্দিষ্ট কিছু গাড়িতে উঠতে বাধ্য করে অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়া হয়। এজন্য সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকায় যানবাহনের ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিদিন বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সিএনজি পাম্প বন্ধ থাকবে। রাত ১০টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত নগরীতে পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যান প্রবেশ করতে পারবে। সময়সীমা অতিবাহিত হওয়ার পর কোনো কাভার্ডভ্যান, ট্রাক শহরে প্রবেশ করতে পারবে না।অবৈধ সিএনজি ড্রাইভারা ছিনতাই কাজের সাথে জড়িত তাই অবৈধ গাড়িগুলো সরালে অপরাধ কমে আসবে। আমরা আমেরিকার মতো একটি ব্যবস্থা করব- পরপর তিনবার জরিমানার শিকার হলে তার ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল করা হবে।’
পুলিশ কমিশনার বলেন, আমাদের সব সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য জনগণকে নিরাপত্তা ও সেবা দেওয়া। এই সিদ্ধান্তে কারো সুবিধা হবে, কারো অসুবিধা হতে পারে; তবে বৃহত্তর স্বার্থে এটি মেনে নেওয়া প্রয়োজন। সিলেট মহানগরীকে একটি নিরাপদ ও সুন্দর শহর হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এসএমপি’র বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসারবৃন্দসহ পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।
(সুরমামেইল/এফএ)
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি