আদালতে জবানবন্দি : দেবরকে গলা টিপে হত্যা করেন ভাবী

প্রকাশিত: ১:৪৯ অপরাহ্ণ, মার্চ ৩০, ২০১৬

আদালতে জবানবন্দি : দেবরকে গলা টিপে হত্যা করেন ভাবী

Manual4 Ad Code

7671_b7

Manual4 Ad Code

সুরমা মেইল নিউজ : হবিগঞ্জের মাধবপুরে টাকা না পেয়ে গালি দেয়ায় দেবর ইসমাইলকে (০৫) গলা টিপে হত্যা করেছে তার ভাবী শাপলা বেগম (২০)। এ ব্যাপারে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্র।

Manual2 Ad Code

তিনি জানান, নিহত শিশু ইসমাইলের বড় ভাই জুয়েল মিয়ার স্ত্রী শাপলা বেগম হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে মঙ্গলবার নিশাত সুলতানার আদালতে  স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

Manual8 Ad Code

জবানবন্দিতে শাপলা উল্লেখ করেছেন, শিশু ইসমাইল প্রায় সময় তার কাছে টাকা চাইতো। টাকা না দিলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতো। ঘটনার দিন ২৬ মার্চ সকালে ইসমাইল তার কাছে টাকা চায়। টাকা না দেয়ায় ইসমাইল তাকে আবারও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এতে ভাবী ক্ষিপ্ত হয়ে ইসমাইলের গলা চেপে ধরলে শ্বাসবন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়। পরে তিনি মরদেহ বাড়ির ধানের গোলার নিচে লুকিয়ে রাখেন এবং সুবিধাজনক সময়ে মরদেহ পুকুরে ফেলে দেয়ার পরিকল্পনা করেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার মাসুদুর রহমান মনির ও মাধবপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মো. মুনির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২৬ মার্চ সকালে মাধবপুর উপজেলা সদরের পশ্চিম মাধবপুর এলাকার রজব আলীর ছেলে ইসমাইল নিখোঁজ হয়। ২ দিন পর ২৮ মার্চ দুপুরে রজব আলীর বাড়ির ধানের গোলার মাচার নিচ থেকে পুলিশ ইসমাইলের মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় পুলিশ ওইদিনই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের পিতা-মাতা, ভাই ও ভাবীকে আটক করে। পরে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করায় ইসমাইলের ভাবী শাপলা ছাড়া অন্যদের পুলিশ ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় ইসমাইলের পিতা রজব আলী তার পুত্রবধূ শাপলা বেগমকে একমাত্র আসামি করে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code