সিলেট ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:২৩ অপরাহ্ণ, মে ৩১, ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক, গোয়াইনঘাট :
টানা বৃষ্টিপাত আর পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়েছে সিলেটের সীমান্তবর্তী গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও কানাইঘাটের অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল।
শনিবার (৩১ মে) সকাল থেকে সিলেটে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও দুপুর থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়।
কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানিয়া আক্তার বলেন, বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হলে আমরা প্রস্তুতি হিসেবে ৩৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছি। অবশ্য লোভাছড়ার আশপাশ এলাকার বেশিরভাগ লোকজন আশ্রয়কেন্দ্রে না গিয়ে তাদের স্বজনদের বাড়িতে চলে গেছে। ইতোমধ্যে ৩০০ প্যাকেট শুকনো খাবার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী বলেন, সব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ৫৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া পর্যাপ্ত শুকনো খাবার রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডে (পাউবো) সিলেটের তথ্যমতে, জেলার কানাইঘাটে সুরমার পানি বেড়ে হয়েছে ১১ দশমিক ৫৬ সেন্টিমিটার, (বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ সে.মি.)। সিলেট পয়েন্টে ৮ দশমিক ৯৮ সে.মি , (বিপৎসীমা ১০.৮ সে.মি.)।
কুশিয়ারা জকিগঞ্জের অমলসিদে ১২ দশমিক ৯৩ সেন্টিমিটার, (বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৪০ সে.মি.)। শেওলা পয়েন্টে ১০ দশমিক ১৮ সে.মি., (বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ০৫ সে.মি.)। ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ৮ দশমিক ২৪ সে.মি., (বিপৎসীমা ৯ দশমিক ৪৫ সে.মি.)। শেরপুর পয়েন্টে ৭ দশমিক ১৯ সেন্টিমিটার, (বিপৎসীমা ৮ দশমিক ৫৫ সে.মি.)।
এছাড়া পাহাড়ি নদী কানাইঘাটের লোভাছড়ার পানি বেড়ে হয়েছে ১২ দশমিক ০৩ সে.মি, (বিপৎসীমা ৮ দশমিক ৫৫ সে.মি.)। জৈন্তাপুরের সারি নদী ১১ দশমিক ২৮ সে.মি., (বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৩৫ সে.মি.)। জাফলং ডাউকি ১০ দশমিক ৫৮ সে.মি., (বিপৎসীমা ১৩ সে.মি.)। গোয়াইনঘাট সারি গোয়াইন ১১ দশমিক ২৮ সে.মি, (বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮২ সে.মি) এবং একই বিপৎসীমায় জেলার কোম্পানীগঞ্জের ইসলামপুর ধলাই নদীর পানি বেড়ে ৯ দশমিক ১০ সেন্টিমিটারে পৌঁছেছে।
এদিকে সদর উপজেলার খাদিমপাড়া ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। বাসাবাড়ি ঢুকে পড়েছে পানি।এতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন জলাবদ্ধতায় আটকা পড়া মানুষজন।
(সুরমামেইল/এমএনইউ)
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি