সিলেট ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১০:৩৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১১, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুবিধা যাতে প্রকৃত উপযুক্ত পরিবারগুলোর কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই ও তালিকা প্রণয়নের প্রতিটি ধাপে নির্ভুলতা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখতে হবে।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা দল-মত বিবেচনা না করে যোগ্য পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে। তথ্য সংগ্রহে ভুলভ্রান্তি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে এনে সরকারি এ কর্মসূচির সুফল প্রকৃত উপযুক্ত পরিবারগুলোর কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে।
রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে সিলেটে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
নারীর ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে নারীদের বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে নারীরা পরিবার ও সমাজে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ পাবেন। তাই উপযুক্ত পরিবার চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ও নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করা হয়েছিল। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠনের পর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ইতোমধ্যে এ কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সিলেটে কিছুটা দেরিতে কার্যক্রম শুরু হলেও তা সুষ্ঠু ও সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের উদ্দেশে সিসিক প্রশাসক বলেন, উপযুক্ত ব্যক্তি ও পরিবারকে চিহ্নিত করে তাদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়াই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। এ জন্য মাঠপর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্তদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে তথ্যের নির্ভুলতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তাই তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই ও তালিকা প্রণয়নের প্রতিটি ধাপে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজাররা এ দায়িত্ব পেয়েছেন। কয়েকশ প্রার্থীর মধ্য থেকে বাছাই হয়ে আসা এসব কর্মীকে মাঠপর্যায়ের কাজে নিজেদের মেধা, যোগ্যতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা না করে প্রকৃত উপযুক্ত পরিবারগুলোর সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করতে হবে।
সিলেট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আব্দুর রফিকের সভাপতিত্বে ও শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহিনুর আলম সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষকরা।
(সুরমামেইল/এমকেআই)
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি