সিলেটে দায়িত্ব গ্রহণের ১শ’ দিনে যা অর্জন করলেন এসএমপি কমিশনার

প্রকাশিত: ৮:৩৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২২, ২০২৫

সিলেটে দায়িত্ব গ্রহণের ১শ’ দিনে যা অর্জন করলেন এসএমপি কমিশনার

Manual1 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার হিসেবে যোগদানের প্রথম ১০০ দিন পর করেছেন আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী। এই সময়ে নগরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যানজট ব্যবস্থাপনা ও পুলিশি সেবায় দৃশ্যমান পরিবর্তন হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

গত ১০ সেপ্টেম্বর আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

 

সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে সোমবার জানানো হয়, দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সিলেট মহানগরীকে একটি নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও আধুনিক স্মার্ট নগরীতে রূপান্তরের লক্ষ্যের কথা জানান এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের ঘোষণা দেন। এর ধারাবাহিকতায় কমিশনারের দিকনির্দেশনায় মহানগর এলাকায় একাধিক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।

 

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পরিচালিত অভিযানে আটককৃত অবৈধ চোরাচালান পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৫ কোটি ৪৪ লক্ষ ৮০ হাজার ৭১৭ টাকা। অপারেশন ডেভিল হান্টের আওতায় বিভিন্ন অপরাধে ১৫২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। একই সময়ে হারানো ও চোরাই ৫৫০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৮৮ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

Manual4 Ad Code

 

এ সময় মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা ৩ হাজার ৬৮৫ পিস, বিদেশি মদ ১ হাজার ৪৫৯ বোতল, চোলাই মদ ৩৯৩ লিটার, গাঁজা ৯ কেজি ৪১৯ গ্রাম এবং ফেনসিডিল ৯৭ বোতল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া চিহ্নিত ও তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারী, চোর ও ডাকাতসহ ১১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪৭ জনকে গ্রেফতার এবং ৯টি হোটেল সিলগালা করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানে ১৬ রাউন্ড শর্টগানের লিডবল, ১০ রাউন্ড রাবার কার্তুজ এবং পুলিশের লুণ্ঠিত দুটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া এক লাখ বিরাশি হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। মাদক ও চোরাচালান সংক্রান্ত অপরাধে মোট ১৮০টি মামলা রুজু হয়েছে। বিভিন্ন অপরাধে দুই হাজারের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

 

যানজট নিরসনে ট্রাফিক বিভাগ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এ সময় ৬ হাজার ১৩৩টি যানবাহন আটক করা হয়। ৩ হাজার ৭৫৫টি মামলায় জরিমানা আদায় করা হয়েছে ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ১১ হাজার ৮শ টাকা। অবৈধ স্ট্যান্ড, রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহন, অবৈধ সিএনজি ও রিকশা, রুট পারমিটবিহীন গাড়ি এবং যত্রতত্র পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। সিএনজি ও প্যাডেল রিকশার ভাড়া যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ এবং নির্ধারিত সময় ছাড়া ভারী যানবাহনের নগরীতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে।

 

দায়িত্ব গ্রহণের পর পুলিশ কমিশনার সিলেটে কর্মরত সাংবাদিক, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, ইমাম সমিতি, হোটেল মালিক, ট্রাভেল এজেন্ট, পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন, বাজার কমিটি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভা করেন। এসব সভায় উঠে আসা সমস্যা ও প্রস্তাবনার আলোকে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, যার একটি অংশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

 

নাগরিকদের পুলিশি সেবা সহজ ও দ্রুত করতে প্রযুক্তিনির্ভর ‘GenieA’ অ্যাপ চালু করা হয়েছে। এ অ্যাপের মাধ্যমে জরুরি পুলিশি সহায়তা ও অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অনলাইন জিডি ও মামলা, সিসিটিভি ও এআই বিশ্লেষণ, ড্রোন নজরদারিসহ অন্যান্য সেবা যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মহানগরের সব থানায় GenieA অ্যাপ চালু এবং হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে।

 

পরিবেশ সুরক্ষার অংশ হিসেবে ব্যাটারি চালিত রিকশাবিরোধী অভিযান চালিয়ে মহানগরীকে প্রায় ব্যাটারি চালিত রিকশামুক্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ফুটপাত দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে এবং রাস্তা দখল করে বসানো দোকান নির্ধারিত স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনায় মহানগরের ১১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘সচেতনতা ও সামাজিকীকরণ’ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এতে মাদক, ইভটিজিং, অনলাইন জুয়া, বাল্যবিবাহ, ট্রাফিক আইন ও পরিবেশ বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। পর্যটননগরী হিসেবে সিলেটে আবাসিক হোটেল ও ট্রাভেল এজেন্সিতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং কাগজপত্র যাচাইসহ মানবপাচার ও প্রতারণার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

এ ছাড়া বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে রাত সাড়ে ৯টার পর খাবার হোটেল, রেস্তোরাঁ ও ওষুধের ফার্মেসি ছাড়া অন্যান্য দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গণসচেতনতা বাড়াতে পুলিশ কমিশনার বিভিন্ন মসজিদে জুমার নামাজে উপস্থিত হয়ে সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা, আইন মেনে চলা এবং অপরাধ প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

 

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং এর সুফল ইতোমধ্যে নগরবাসী পাচ্ছেন।্এসমএমস্মার্ট পুলিশিংয়ে আইন-শৃঙ্খলায় স্বস্তি : শ’ত দিনে কমিশনারের অর্জন

 

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১০০ দিনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যানজট ব্যবস্থাপনা ও পুলিশি সেবায় দৃশ্যমান পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে পুলিশ। গত ১০ সেপ্টেম্বর আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

 

দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সিলেট মহানগরীকে একটি নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও আধুনিক স্মার্ট নগরীতে রূপান্তরের লক্ষ্যের কথা জানান এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের ঘোষণা দেন। এর ধারাবাহিকতায় কমিশনারের দিকনির্দেশনায় মহানগর এলাকায় একাধিক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।

 

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পরিচালিত অভিযানে আটককৃত অবৈধ চোরাচালান পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৫ কোটি ৪৪ লক্ষ ৮০ হাজার ৭১৭ টাকা। অপারেশন ডেভিল হান্টের আওতায় বিভিন্ন অপরাধে ১৫২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। একই সময়ে হারানো ও চোরাই ৫৫০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৮৮ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

 

এ সময় মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা ৩ হাজার ৬৮৫ পিস, বিদেশি মদ ১ হাজার ৪৫৯ বোতল, চোলাই মদ ৩৯৩ লিটার, গাঁজা ৯ কেজি ৪১৯ গ্রাম এবং ফেনসিডিল ৯৭ বোতল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া চিহ্নিত ও তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারী, চোর ও ডাকাতসহ ১১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪৭ জনকে গ্রেফতার এবং ৯টি হোটেল সিলগালা করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানে ১৬ রাউন্ড শর্টগানের লিডবল, ১০ রাউন্ড রাবার কার্তুজ এবং পুলিশের লুণ্ঠিত দুটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া এক লাখ বিরাশি হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। মাদক ও চোরাচালান সংক্রান্ত অপরাধে মোট ১৮০টি মামলা রুজু হয়েছে। বিভিন্ন অপরাধে দুই হাজারের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

 

Manual3 Ad Code

যানজট নিরসনে ট্রাফিক বিভাগ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এ সময় ৬ হাজার ১৩৩টি যানবাহন আটক করা হয়। ৩ হাজার ৭৫৫টি মামলায় জরিমানা আদায় করা হয়েছে ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ১১ হাজার ৮শ টাকা। অবৈধ স্ট্যান্ড, রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহন, অবৈধ সিএনজি ও রিকশা, রুট পারমিটবিহীন গাড়ি এবং যত্রতত্র পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। সিএনজি ও প্যাডেল রিকশার ভাড়া যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ এবং নির্ধারিত সময় ছাড়া ভারী যানবাহনের নগরীতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে।

 

দায়িত্ব গ্রহণের পর পুলিশ কমিশনার সিলেটে কর্মরত সাংবাদিক, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, ইমাম সমিতি, হোটেল মালিক, ট্রাভেল এজেন্ট, পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন, বাজার কমিটি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভা করেন। এসব সভায় উঠে আসা সমস্যা ও প্রস্তাবনার আলোকে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, যার একটি অংশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

 

নাগরিকদের পুলিশি সেবা সহজ ও দ্রুত করতে প্রযুক্তিনির্ভর ‘GenieA’ অ্যাপ চালু করা হয়েছে। এ অ্যাপের মাধ্যমে জরুরি পুলিশি সহায়তা ও অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অনলাইন জিডি ও মামলা, সিসিটিভি ও এআই বিশ্লেষণ, ড্রোন নজরদারিসহ অন্যান্য সেবা যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মহানগরের সব থানায় GenieA অ্যাপ চালু এবং হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে।

 

Manual7 Ad Code

পরিবেশ সুরক্ষার অংশ হিসেবে ব্যাটারি চালিত রিকশাবিরোধী অভিযান চালিয়ে মহানগরীকে প্রায় ব্যাটারি চালিত রিকশামুক্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ফুটপাত দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে এবং রাস্তা দখল করে বসানো দোকান নির্ধারিত স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনায় মহানগরের ১১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘সচেতনতা ও সামাজিকীকরণ’ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এতে মাদক, ইভটিজিং, অনলাইন জুয়া, বাল্যবিবাহ, ট্রাফিক আইন ও পরিবেশ বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। পর্যটননগরী হিসেবে সিলেটে আবাসিক হোটেল ও ট্রাভেল এজেন্সিতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং কাগজপত্র যাচাইসহ মানবপাচার ও প্রতারণার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

এ ছাড়া বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে রাত সাড়ে ৯টার পর খাবার হোটেল, রেস্তোরাঁ ও ওষুধের ফার্মেসি ছাড়া অন্যান্য দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। গণসচেতনতা বাড়াতে পুলিশ কমিশনার বিভিন্ন মসজিদে জুমার নামাজে উপস্থিত হয়ে সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা, আইন মেনে চলা এবং অপরাধ প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

 

Manual8 Ad Code

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং এর সুফল ইতোমধ্যে নগরবাসী পাচ্ছেন।

 

(সুরমামেইল/এমকে)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code