সিলেট ৩রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১১:১৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬
কানাইঘাট প্রতিনিধি:
সিলেটের কানাইঘাটে ভারত ফেরৎ ২২ বছর বয়সি এক যুবতিকে ১০ দিন আটক রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টায় কানাইঘাট থানা পুলিশের অভিযানে ধর্ষণ মামলার ২নং আসামী উপজেলার সীমান্তবর্তী লক্ষীপ্রসাদপূর্ব ইউনিয়নের দনাপাত্তি ছড়া গ্রামের আব্দুর রহমান ডালু মিয়ার পুত্র নাঈম উদ্দিনকে (২২) গ্রেফতার করা হয়। ভিকটিমকে থানা পুলিশ হেফজতে সিলেট ওসমানী হাসপাতালের ওসিসি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে যায়, শেরপুর জেলার সদর উপজেলার শালচুড়া গ্রামের বাসিন্দা ২২ বছর বয়সি যুবতি গত ৯ মাস পূর্বে নিজ বাড়ি থেকে সাতক্ষীরা জেলার সীমান্তবর্তী বর্ডার হয়ে ভারতের হায়দ্রাবাদে যায়। সেখানে কাপড়ের ব্যবসা করে।
গত ২০ আগস্ট যুবতীর মামা জাহাঙ্গীরের সহায়তায় বাংলাদেশে আসার জন্য হায়দ্রাবাদ থেকে ভারতের সীমান্তবর্তী নন্দনপুর এলাকায় আসে। এ সময় ভারতীয় বিএসএফ তার মামাকে আটক করে নিয়ে যায়। পরে মেয়েটির কান্নাকাটি শুরু করলে বিএসএফ সিলেটের কানাইঘাটের দনা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়।
ওইদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে সীমান্তবর্তী কানাইঘাট উপজেলার দনা পাত্তিছড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র শানুর আহমদ (৩০), আব্দুর রহমান ডালুর পুত্র নাঈম উদ্দিন (২২), শাহনুর আলীর পুত্র কাওছার আহমদ (৩০), দনা রাঙ্গিছড়া গ্রামের মঈন উদ্দিনের পুত্র হুসাইন আহমদ (২৪), কুতুব আলীর পুত্র রিয়াজ উদ্দিন (৩০) ও দনা রাতাছড়া গ্রামের ছলু মিয়ার পুত্র ইকবাল আহমদের (২৮) সাথে ভিকটিমের সাথে দেখা হয়। তারা ভিকটিম মেয়েটিকে তারা নিজবাড়ি শেরপুরে পৌছে দেওয়ার আশ্বস্থ করে কৌশলে শানুরের নির্জন বাড়িতে নিয়ে যায় এবং সেখানে প্রায় ১০দিন আটক রেখে পালাক্রর্মে ধর্ষণ করে।
পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাজিম মেম্বারের সহায়তায় যুবতী উদ্ধার হলে ভিকটিক কানাইঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। থানার মামলা নং-২ তাং ২/৯/২৬ইং।
মামলা দায়েরের পর বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ভোরে কানাইঘাট থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ শহিদুর রহমান, এসআই আশীয় চন্দ্র তালুকদার একদল পুলিশ নিয়ে দুর্গম পাহাড়ী দনা সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ২নং আসামী নাঈম উদ্দিনকে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত নাঈমকে বুধবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার ওসি ওসির আমিনুল ইসলাম।
(সুরমামেইল/এমআর)
প্রধান উপদেষ্টাঃ ফয়েজ আহমদ দৌলত
উপদেষ্টাঃ খালেদুল ইসলাম কোহিনূর
উপদেষ্টাঃ মোঃ মিটু মিয়া
উপদেষ্টাঃ অর্জুন ঘোষ
আইন বিষয়ক উপদেষ্টাঃ এড. মোঃ রফিক আহমদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মোহাম্মদ হানিফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : বীথি রানী কর
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ফয়সাল আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান
নিউজ ইনচার্জ : সুনির্মল সেন
অফিস : রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা),
বন্দর বাজার, সিলেট।
মোবাইল : ০১৭১৬-৯৭০৬৯৮
E-mail: surmamail1@gmail.com
Copyright-2015
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি