তামাবিল স্থল বন্দরে সাংবাদিক প্রবেশে লাগবে রাসেলের অনুমতি!

প্রকাশিত: ১১:১০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৩০, ২০২৫

তামাবিল স্থল বন্দরে সাংবাদিক প্রবেশে লাগবে রাসেলের অনুমতি!

Manual7 Ad Code

আব্দুল করিম রাসেল।


জৈন্তাপুর প্রতিনিধি :
সিলেটের সর্ব বৃহত আমদানী রপ্তানীর একমাত্র স্থল বন্দর হচ্ছে তামাবিল স্থল বন্দর। এই বন্দর দিয়ে ব্যবসায়ীরা পাথর-কয়লা আমদানি করছেন দীর্ঘদিন থেকে। সম্প্রতি তামাবিল স্থল বন্দর দিয়ে আসা প্রতিটি ট্রাক থেকে সিএনএফ এজেন্টের সহায়তায় গাড়ি প্রতি ৪৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করেছে একটি চক্র। তামাবিল আমদানীকারক গ্রুপের এই চক্রের মূল নেতৃত্বে রয়েছেন ওমর ফারুক। তিনি আব্দুল করিম রাসেলের মাধ্যমে সিএনএফ এজেন্টেদের চারজন সহকারির সহায়তায় ব্যবসায়ীদের আমদানীকৃত ট্রাক থেকে ৪৫০ টাকা হারে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসছে এসব তথ্য।

 

অনুসন্ধানে আরও জানাযায়- বন্দরের ভিতরে দীর্ঘ এক মাস পূর্ব থেকে তামাবিল স্থল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাথর আমদানী করছেন ব্যবসায়ীরা। কাষ্টম ও বন্দর কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত পরিমাপের ভিত্তিত্বে পাথর খালাস পদক্ষেপ গ্রহন করে। যার কারনে এক শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নানা অযুহাত সৃষ্টি করে বন্দরে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের হয়রানী করে আসছে। পরবর্তীতে তারা বন্দর ও কাষ্টম কর্তৃপক্ষ হয়রানি বন্দের জন্য ৪৫০ টাকা হারে সিএনফএফ প্রতিনিধির মাধ্যমে গাড়ি প্রতি চাঁদা উত্তোলন করছে।

Manual3 Ad Code

 

বুধবার (৩০ এপ্রিল) দুপর ২টায় তমাবিল বন্দর কর্তৃপক্ষ ও কাষ্টম কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ বিষয়ে জানেতে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় সাংবাদিক মো. রেজওয়ান করিম সাব্বির, সাইফুল ইসলাম বাবু এবং নাজমুল ইসলাম।

 

Manual5 Ad Code

তারা কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ শেষে ফেরার পথে আব্দুল করিম রাসেলের নেতৃত্বে শ্রমিক নেতা দাবীকারী সাংবাদিকদের গালী-গালাজ শুরু করেন।

 

এসময় আব্দুল করিম রাসেল বলেন, কাষ্টম ও বন্দর কর্তৃপক্ষের এলাকায় সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে হলে তার (আব্দুল করিম রাসেল) অনুমতি নিতে হবে। অন্যথায় সাংবাদিকরা প্রবেশ করতে পারবেন না বলে অশ্বালীন কথা বলে এবং সাইফুল ইসলাম বাবুর ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

Manual1 Ad Code

 

এ বিষয়ে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি মহরম আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান- সমিতির অফিস খরচ বাবত প্রতি গাড়ি থেকে ৪৫০ টাকা করে সংগ্রহ করা হয়।

Manual5 Ad Code

 

টাকা কি করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাক্ষাতে বিষয়টি বলছি।

 

এ বিষয়ে জানতে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জানান, ব্যবসায়ী স্বার্থের কথা বলে সবাই কিন্তু ব্যবসায়ীদের চুষে ফেলছেন তারা। ৪৫০ টাকা দিয়েও হয়রোনী হতে হচ্ছে।

 

এদিকে কাষ্টাম কর্মকর্তা ইয়াকুব জাহিদ দপ্তরে গেলে থাকে পাওয়া যায়নি। তিনি ছুটিতে রয়েছেন মর্মে সংশ্লিষ্টরা জানান। পরে ইয়াকুব জাহিদের সাথে মোবাইল ফোন কথা বললে তিনি জানান বন্দর কর্তৃপক্ষের সঠিক পরিমাপের ভিত্তিত্বে আমাদের কাছে কারপাস আসার পর আমরা ক্লিলিয়ারেন্স দিয়ে দেই। এর বাহিরে আমাদের কিছু করার নেই।

 

এদিকে তামাবিল স্থল বন্দরের সহকারি পরিচালক (ট্রাফিক) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পাণ্যবাহী সকল গাড়িগুলো সটিক ভাবে পরিমাপের ভিত্তিত্বে বন্দরে প্রবেশ করে। পণ্য আনলোডের পর পুনরায় গাড়ি পরিমাপ করা হয়। একটি গাড়িও পরিমাপ ছাড়াও প্রবেশ কিংবা বাহির হয় না। গাড়ি প্রতি টাকা আদায়ের বিষয় আমার জানা নেই। আমাদের কোন কর্মকর্তা এখানে জড়িত নয়।

 

(সুরমামেইল/জেআই)


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code