চুনারুঘাটে মাকে বেঁধে মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত: ১:০৩ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৮

চুনারুঘাটে মাকে বেঁধে মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগ

Manual6 Ad Code

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ঘরে ঢুকে মাকে বেঁধে রেখে মেয়েকে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতিতাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ঘটনায় পুলিশ ও পরিবারের লোকজনের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পাওয়া গেছে।

Manual8 Ad Code

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

Manual5 Ad Code

ধর্ষিতার পরিবার অভিযোগ করেছে, বেশকিছু দিন ওই কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল একই গ্রামের মিজান মিয়া ও ফজুল হক নামে দুই বখাটে। এছাড়া বেশ কয়েকবার তাকে কু-প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলেও জানায় নির্যাতিতার পরিবার।

পরিবার সূত্রে আরো জানা যায়, শনিবার ভোররাতে বাবা বাড়িতে না থাকার সুযোগে কিশোরীর বাড়িতে ঢুকে মিজান ও ফজুল হকসহ কয়েকজন। এসময় তারা ওই কিশোরীকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের চেষ্টা চালালে তার আর্তচিৎকার শুনে মা এগিয়ে আসেন। এসময় দুর্বৃত্তরা মাকে বেধড়ক মারধর করার পর হাত-পা বেঁধে পাশের একটি রুমে আটক করে রাখে। পরে ওই কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

তাদের আর্তচিৎকার শুনে স্থানীয়রা মা-মেয়েকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

তবে পুলিশের দাবি, এলাকায় কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি। তাদের মধ্যে পারিবারিক ও জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে তাদের উপর প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়েছে। হামলায় মা-মেয়ে দুজনই আহত হয়েছেন।

এদিকে, পুলিশ ও পরিবারের লোকজনের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে ধর্ষিতার বাবা জানান, আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল মিজান ও ফজুল। শনিবার রাতে আমি বাড়িতে না থাকায় এ সুযোগে আমার মেয়েকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। এসময় আমার স্ত্রী তাদেরকে বাধা দিলে তাকেও পিটিয়ে আহত করে তারা।

Manual7 Ad Code

এ ব্যাপারে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত ডাক্তার দেবাশীষ দাস বলেন, পরিবারের দাবি ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। আমরা মেডিকেল টিম গঠন করে তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করব।

Manual8 Ad Code

চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজমিরুজ্জামান জানান, তারা একে অপরের আত্মীয়। নিজেদের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ আছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

তিনি বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানসহ স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ধর্ষণের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে তাদেরকে মারধর করা হয়েছে। তবে বাবা-মা দাবি করছেন মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা পর আমরা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code