আগুন ও সন্ত্রাসবাদের দল বিএনপি-জামায়াত

প্রকাশিত: ৭:৫৫ অপরাহ্ণ, জুন ২৩, ২০১৬

আগুন ও সন্ত্রাসবাদের দল বিএনপি-জামায়াত

Manual5 Ad Code

images (2)সুরমা মেইল নিউজ : বিএনপির জাতীয় ঐক্যের আহ্বানকে ষড়যন্ত্রমূলক বলে আখ্যায়িত করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। তিনি বলেন, বিএনপি যখনই সন্ত্রাস করে, তখনই তারা এ ধরনের আহ্বান জানায়। ২০১৫ সালেও যখন দলটি পেট্রলবোমা হামলা চালিয়ে নির্বিচারে মানুষ মেরেছিল, তখন তারা এটা বন্ধে ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছিল। এখন আবার বিএনপি জাতীয় ঐক্যের কথা বলায়, বোঝা যায় গুপ্তহত্যায় আসলে তারাই জড়িত।

Manual5 Ad Code

আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সঙ্গে খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতাদের মতবিনিময় সভা তিনি এসব কথা বলেন।

গত মঙ্গলবার ছাত্রদলের একটি ইফতার মাহফিলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশে চলমান সন্ত্রাস, উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় সব দলের অংশগ্রহণে জাতীয় কনভেশন আয়োজনে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। বিরোধী দলকে বাইরে রেখে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয় বলেও মনে করেন বিএনপি মহাসচিব।

Manual3 Ad Code

এই প্রসঙ্গে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, গতবছর বিএনপি-জামায়াত দেশব্যাপী আগুন সন্ত্রাস করেছিল, তখন সারাদেশের মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছিল। তখন এই অবস্থার দ্রুত সমাধানের জন্য সমাজের নানাস্তরের মানুষ সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল। প্রধানমন্ত্রী ঠাণ্ডা মাথায় ধৈর্য সহকারে এ সন্ত্রাস মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছিলেন। যখনই ওই সময় কঠোরভাবে সন্ত্রাস দমন করা হচ্ছিল, তখনই বিএনপির থিঙ্কট্যাংক থেকে দাবি করা হয়েছিল সন্ত্রাস বন্ধ করার জন্য জাতীয় ঐকমত্যের প্রয়োজন। আমরা তখন বলেছিলাম আগুনসন্ত্রাস করে যারা মানুষ খুন করছে, তাদের সঙ্গে সংলাপ করে লাভ নেই। হত্যাকারীদের আইনের মাধ্যমেই দমন করতে হবে। তিনি বলেন, সম্প্রতিক কয়েকটি গুপ্তহত্যার পর যখন সাঁড়াশি অভিযানে অনেক হত্যাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অনেক হত্যাকারী সুনির্দিষ্টভাবে তাদের অভিযোগ স্বীকার করেছে। যখনই সাঁড়াশি অভিযানের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে তখনই খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে গুপ্তহত্যা বন্ধে করতে জাতীয় ঐকমত্য এবং সংলাপ দরকার। কারণ তারা (বিএনপি) বুঝতে পেরেছে গুপ্তহত্যার পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, আমরা আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, আগুনসন্ত্রাস বন্ধ হয়েছে। শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে গুপ্ত হত্যাও বন্ধ করতে সক্ষম হব। এতে আপনাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই।

Manual1 Ad Code

দুটি কারণে দেশে গুপ্তহত্যা হচ্ছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, প্রথম কারণটি হলো ৭১-এর পরাজিত শক্তি মানবতাবিরোধীদের বিচার কাজ বন্ধ করার জন্য এ দেশে তাদের মিত্র ও পাকিস্তানিদের ষড়যন্ত্র করেছিল, কিন্তু তাতে ব্যর্থ হয়ে এখন তারা গুপ্তহত্যা করছে। আরেকটি কারণ হলো, বিএনপি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে ক্ষমতার লোভে মানুষকে হত্যা করে আবারও ক্ষমতায় যেতে চায়। এই ক্ষমতার লিপ্সাই গুপ্তহত্যার আরেকটি কারণ।

Manual8 Ad Code

মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান ভূইয়া ডাবলু, উপ-দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাশ, কার্যনির্বাহী সদস্য এসএম কামাল হোসেন, আমিনুল ইসলাম আমিন, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাসদের একাংশের সভাপতি শরিফ নুরুল আম্বিয়া, তরিকত ফেডারেশনের নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের ওয়াজেদুল ইসলাম, গণতন্ত্রী পার্টির শাহাদাৎ হোসেন বাসদের রেজাউর রশিদ খান প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code