ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের তেল শোধনাগারে আগুন

প্রকাশিত: ১২:০১ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২০, ২০২৬

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের তেল শোধনাগারে আগুন

Manual1 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে আগুন লেগেছে। ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ গিয়ে হাইফা শহরের ওই শোধনাগারে পড়ে ও এতে সেখানে আগুন লেগেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।শোধনাগার থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যাচ্ছে।

 

Manual2 Ad Code

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই শোধনাগারের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে কি না, সে বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরারে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর ও মধ্য ইসরায়েলসহ জেরুজালেম এলাকায় বিমান হামলার সতর্ক সংকেত (সাইরেন) বাজার পরপরই এই হামলার খবর আসে। তাৎক্ষণিকভাবে হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

 

অবশ্য এবারই প্রথম নয়, গত বছরও ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ১২ দিনের যুদ্ধের সময়েও হাইফার তেল শোধনাগারটি আক্রান্ত হয়েছিল।

 

Manual1 Ad Code

এর আগে কুয়েতের দ্বিতীয় একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যায়। সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে।

Manual4 Ad Code

 

কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (কেপিসি) জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত মিনা আবদুল্লাহ শোধনাগারের একটি অপারেশনাল ইউনিটে ড্রোনটি আঘাত হানে। হামলার পরপরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে কুয়েতের মিনা আল আহমাদি শোধনাগারেও একই ধরনের ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে আগুন লাগলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

 

গতকাল বুধবার ভোরে ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এটি বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র। গ্যাসক্ষেত্রটির একটি অংশ কাতারের।

 

সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলার জবাবে সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি ক্ষেত্রে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারের রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্সের কিছু অংশে আগুন লাগে। এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম গ্যাসের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

 

কয়েকদিনের ব্যবধানে এসব হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক জ্বালানি পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ধারাবাহিক হামলা ‘জ্বালানি যুদ্ধের’ শঙ্কা বাড়াচ্ছে, যা বৈশ্বিক বাজারে তেলের দামে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। মিনা আবদুল্লাহ ও মিনা আল-আহমাদি-উভয় শোধনাগারই কুয়েতের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

(সুরমামেইল/এমকে)

Manual4 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code