সিলেট ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:৫৭ অপরাহ্ণ, জুন ২৮, ২০১৬
সুরমা মেইল নিউজ : সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, সুশাসন আজ কেবল প্রশ্নবিদ্ধ নয়, গুলিবিদ্ধও। আসুন এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে সবাই মিলে ঐকমত্য গড়ে তুলি। যারা সন্ত্রাস, জ্বালাও-পোড়াও বিশ্বাস করে না তাদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় সংলাপের আয়োজন করুন। কঠিন সঙ্কট থেকে দেশকে রক্ষা করুন।
মঙ্গলবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০১৬-১৭ বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এরশাদ এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, দেশের অবস্থা ভয়াবহ। এ থেকে রক্ষা পেতে যে সকল দল ঐক্য করতে চায় তাদের নিয়ে জাতীয় ঐক্য করুন। দেশে সুশাসন নেই। গুপ্তহত্যা থেকে শুরু করে ব্যাংক লুটসহ সব সেক্টরে দেশের অবস্থা অনেক খারাপ।
এরশাদ বলেন, আমরা সরকারি ও বিরোধী দল এদেশের ১৬ কোটি মানুষের কল্যাণ চাই, শান্তি চাই, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ চাই। সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ চাই। আমরা বিরোধী দল করি, মতাদর্শ ভিন্ন। জনগণ আমাদের ম্যান্ডেড দিয়েছে সরকারি দলের ভুলত্রুটি তুলে ধরার জন্য। সংবিধান অনুযায়ী এই দায়িত্ব পালনে যদি আমরা ব্যর্থ হই, তাহলে জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। সরকারের বন্দনা করার জন্য সরকারি দল রয়েছে। কারণ জনগণের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
জাপার চেয়ারম্যান বলেন, অর্থমন্ত্রী বিরাট বাজেট দিয়েছেন। বাজেট বড় হলেই জনগণের কল্যাণ হবে তা বলা যাবে না। বাজেট দেয়ার পর ব্যবসায়ীরা বলেছেন, এমন জটিল বাজেট তারা আর দেখেননি। তারা যদি এ কথা বলেন, তাহলে কীভাবে হবে? ৩৭ হাজার কোটি টাকার ঋণ খেলাপি অবলোকন করেছেন। এই অধিকার আপনাকে কে দিয়েছে? এটা জনগণের টাকা, পেনশন ভোগীদের টাকা। এই টাকা আপনি মওকুফ করে দিয়েছেন। এই অধিকার আপনাকে আমরা দেইনি।
ব্যাংকের অর্থ জালিয়াত ও পাচারকারীদের বিচারের দাবি এবং বাজেটে কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা লুটেরা তাদের বিচার করতে পারেন না। তারা মাথা উঁচু করে আছেন। আমার সময় তো কোনো ব্যাংক জালিয়াতি হয়নি। পারলে দেখান অামার সময় কোনো ব্যাংকে লুটপাট হয়েছে। আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।
যে দেশে এসপির স্ত্রী নিরাপদ নয়, সে দেশে সাধারণ মানুষের কি অবস্থা হতে পারে? সংসদে এমন প্রশ্ন রেখে এরশাদ বলেন, মার্চ মাস থেকে এ পর্যন্ত ১৩ জন গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছে, এর দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে। ২০০৪ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১ হাজার ৭১৫ জন নিহত হয়েছেন, এসব কি সুশাসনের ইঙ্গিত বহন করে। ‘ক্রসফায়ার’ চালু করেছিল বিএনপি। কারণ তখন আইনের শাষণ ছিল না।
এরশাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী (শেখ হাসিনা) দায়িত্বে আসার পর অনেক উন্নয়ন হয়েছে। এতো উন্নয়নের লোড আপনি (শেখ হাসিনা) নিতে পারবেন না। প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। প্রাদেশিক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আপনার এই চাপ কমে যাবে। এটা করলে স্বর্ণাক্ষরে আপনার নাম লেখা থাকবে। এই সংসদে প্রাদেশিক সরকারের বিল পাস করা হোক।
তিনি আরো বলেন, আমি প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান জাতির জনকের কবর জিয়ারত করেছি। আমার এখনও ইচ্ছা হয় জাতির জনককে পুষ্পস্তবক অর্পণ করি। কিন্তু তিনি তো আমার জনক নন, তিনি আওয়ামী লীগের জনক। জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে সার্বজনীন করার দাবি জানাচ্ছি।
প্রধান উপদেষ্টাঃ ফয়েজ আহমদ দৌলত
উপদেষ্টাঃ খালেদুল ইসলাম কোহিনূর
উপদেষ্টাঃ মোঃ মিটু মিয়া
উপদেষ্টাঃ অর্জুন ঘোষ
আইন বিষয়ক উপদেষ্টাঃ এড. মোঃ রফিক আহমদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মোহাম্মদ হানিফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : বীথি রানী কর
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ফয়সাল আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান
নিউজ ইনচার্জ : সুনির্মল সেন
অফিস : রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা),
বন্দর বাজার, সিলেট।
মোবাইল : ০১৭১৬-৯৭০৬৯৮
E-mail: surmamail1@gmail.com
Copyright-2015
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি