চলচ্চিত্র অভিনেতা মিজু আহমেদ আর নেই

প্রকাশিত: ৯:৫০ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৭, ২০১৭

চলচ্চিত্র অভিনেতা মিজু আহমেদ আর নেই

Manual6 Ad Code

বিনোদন ডেস্ক :: বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেতা মিজু আহমেদ আর নেই (ইন্নালিল্লাহি …রাজিউন)। সোমবার রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান।

Manual2 Ad Code

একটি চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের জন্য ট্রেনযোগে দিনজাপুর যাওয়ার উদ্দেশে তিনি বিমানবন্দর স্টেশনে অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ ঐ সময় হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন তিনি। এসময় ট্রেনে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার পালস পরীক্ষা করে তার হার্টবিট পাননি।

পরে তাৎক্ষণিকভাবে সেখান থেকে মিজু আহমেদকে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অভিনেতা মিশা সওদাগরের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমিও শুনেছি মিজু ভাই আর নেই। আমি কুর্মিটোলা হাসপাতালে যাচ্ছি। হাসপাতালে যাচ্ছেন এ অভিনেতার পরিবার-পরিজন ও চলচ্চিত্রের মানুষেরা।

মিজু আহমেদ একজন প্রযোজক হিসেবেও ঢালিউড পাড়ায় পরিচিত। মূলত, আহমেদ তার খলনায়ক চরিত্রের সুবাদে বাংলা চলচ্চিত্রে সুপরিচিত।

মিজু আহমেদ ১৯৫৩ সালের ১৭ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার জন্ম নাম হচ্ছে মিজানুর রহমান। শৈশবকাল থেকে তিনি থিয়েটারের প্রতি খুবই আগ্রহী ছিলেন। পরবর্তী তিনি কুষ্টিয়ার স্থানীয় একটি নাট্যদলের সাথে অন্তর্ভূক্ত হন। শিক্ষাগত যোগ্যতার দিকে থেকে তিনি বিএসসি বিভাগ নিয়ে উত্তীর্ণ হন।

১৯৭৮ সালে তৃষ্ণা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। কয়েক বছর পরে তিনি ঢালিউড চলচ্চিত্র শিল্পে অন্যতম সেরা একজন খলনায়ক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। এছাড়াও তিনি তার নিজের চলচ্চিত্র প্রযোজনা সংস্থা ফ্রেন্ডস মুভিজ এর ব্যানারে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছেন।

Manual2 Ad Code

তার অভিনীত ছবিগুলো মধ্যে হচ্ছে তৃষ্ণা (১৯৭৮), মহানগর (১৯৮১), স্যারেন্ডার (১৯৮৭), চাকর (১৯৯২), সোলেমান ডাঙ্গা (১৯৯২), ত্যাগ (১৯৯৩), বশিরা (১৯৯৬), আজকের সন্ত্রাসী (১৯৯৬), হাঙ্গর নদী গ্রেনেড (১৯৯৭), কুলি (১৯৯৭), লাঠি (১৯৯৯), লাল বাদশা (১৯৯৯), গুন্ডা নাম্বার ওয়ান (২০০০), ঝড় (২০০০), কষ্ট (২০০০), ওদের ধর (২০০২), ইতিহাস (২০০২), ভাইয়া (২০০২), হিংসা প্রতিহিংসা (২০০৩), বিগ বস (২০০৩), আজকের সমাজ (২০০৪) মহিলা হোস্টেল (২০০৪), ভন্ড ওঝা ২(০০৬) ইত্যাদি।

তৃষ্ণা সিনেমায় অভিনয় করে তিনি ১৯৯২ সালে সেরা অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

Manual3 Ad Code

 

Manual7 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code