মধ্যনগরে খালের বাঁধ ভেঙে ঝুঁকিতে হাওরের পাকা ধান

প্রকাশিত: ৫:১৭ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৮, ২০২৬

মধ্যনগরে খালের বাঁধ ভেঙে ঝুঁকিতে হাওরের পাকা ধান

Manual5 Ad Code

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
জেলার মধ্যনগরে প্রবাহিত জামগড়া খালের একটি বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ করায় চলতি বোরো মৌসুমে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। এতে ইয়ারন (ইকারছই) বিলের ৬৮ হেক্টর জমির ধান মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে।

 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ইকারছই বিল সংলগ্ন ১২টি গ্রামের কৃষকরা এ বছর মোট ১১৪ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছেন। এর মধ্যে ৫০ হেক্টর হাওর এবং ৬৪ হেক্টর নন-হাওর এলাকা। ইতোমধ্যে হাওরের ৪০ হেক্টর এবং নন-হাওরের ৬ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। তবে বাকি জমির ধান এখনো মাঠে রয়েছে।

Manual4 Ad Code

 

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের চাপে জামগড়া খালের পাশের সড়কটি ভেঙে যায়। ফলে হাওরের নিম্নাঞ্চলে দ্রুত পানি ঢুকে পড়ে এবং মাঠের ধানের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। পরিস্থিতির অবনতি হলে অবশিষ্ট জমির ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় কৃষক আব্দুল হাই বলেন, হঠাৎ করে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি। অনেক ধান এখনো আধাপাকা রয়েছে। যেগুলো কিছুটা পেকেছে, সেগুলো দ্রুত কাটার চেষ্টা করছি, কিন্তু বৃষ্টি ও পানির কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না।

 

হামিদপুর গ্রামের কৃষক শরিফুল মিয়া জানান, তিনি ১০ কিয়ার জমিতে ধান আবাদ করলেও এখনো একটি ধানও কাটতে পারেননি। একই গ্রামের আরেকজন কৃষক বলেন, আমি ৭ কিয়ার জমিতে ধান লাগিয়েছি, কিন্তু একটুও কাটতে পারিনি। এখন কীভাবে চলব বুঝতে পারছি না।

Manual4 Ad Code

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আশয়াদ বিন খলিল রাহাত বলেন, কৃষকদের দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।

Manual7 Ad Code

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় ঘোষ জানান, ভেঙে যাওয়া অংশটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ নয়, বরং একটি গ্রামীণ সড়ক। নেত্রকোনার দুর্গাপুর এলাকা থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের চাপে সড়কটি ভেঙে গেছে। তিনি বলেন, ভাঙন রোধে কাজ চলছে এবং হাওরের বেশিরভাগ জমির ধান ইতোমধ্যে কাটা শেষ হয়েছে।

(সুরমামেইল/এসডি)

Manual3 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code