বাঘায় বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

প্রকাশিত: ১:৪৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১২, ২০১৬

বাঘায় বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

Manual7 Ad Code

images

সুরমা মেইল নিউজ : রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পর রাজশাহীর বাঘা থানা পুলিশ ধর্ষকের সহযোগী অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছেন। তবে ঘটনার পর থেকে মূল আসামি পলাতক রয়েছেন। মঙ্গলবার বাঘা থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

Manual8 Ad Code

গ্রেফতার দুই অভিযুক্ত হলেন- বাঘা উপজেলার কেশবপুর গ্রামের মৃত আহম্মদ হোসেনের ছেলে বিদ্যুৎ হোসেন (৩২) ও হাবিবুর রহমানের ছেলে মোক্তার হোসেন (২৫)। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে রাজশাহী কারাগারে পাঠানোর কথা রয়েছে।

Manual1 Ad Code

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মাহমুদ মামলার বরাত দিয়ে জানান, প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে ওই স্কুলছাত্রীকে (১৬) বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন তার প্রেমিক। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে।

Manual2 Ad Code

তিনি আরও জানান- উপজেলার আলাইপুর গ্রামের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীর সঙ্গে কেশবপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে শান্ত হোসেনের (২০) প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। এর সূত্র ধরে গত ৭ এপ্রিল শান্ত তার সহযোগীদের নিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে রাজশাহী মহানগরীর একটি বাড়িতে নিয়ে যান। এরপর সেখানে দুই বন্ধুর সহযোগিতায় তাকে রাতভর ধর্ষণ করেন। পরদিন ওই ছাত্রীকে বিয়ে করার কথা বলে ঢাকায় নিয়ে যান শান্ত। কিন্তু বিয়ে না করে ওই স্কুলছাত্রীকে শ্যামলী টেকনিক্যাল মোড় এলাকায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভেতর বসিয়ে রেখে শান্ত সটকে পড়েন। স্কুলছাত্রীটি তার এক আত্মীয়কে ফোন করে বাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর সোমবার (১১ এপ্রিল) রাতে তার বাবাকে নিয়ে থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শান্তকেও গ্রেফতারেরর চেষ্টা চলছে, জানান ওসি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code