সিলেট ৩রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৭:০১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৬, ২০২৬
নিহত শরিফ ওসমান বিন হাদি ও তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী। ফাইল ছবি
মেইল ডেস্ক:
পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ মনোনীত নির্বাচিত কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর নির্দেশেই ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।
এদিকে, মঙ্গলবার হাদি হত্যা মামলার তদন্ত শেষে মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা ডিবি। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। পরে বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মো. শফিকুল ইসলাম।

চার্জশিটের বিষয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি ফয়সালসহ বাকি পাঁচজন এখনো পলাতক রয়েছেন।
হত্যার বিষয়ে মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক ধারা সূচনা করেন হাদি। বিভিন্ন সময়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের বিগত দিনের কার্যকলাপ সম্পর্কে তিনি সমালোচনামূলক জোরালো বক্তব্য দেন। তাঁর এই বক্তব্য নিষিদ্ধ ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ হন। ঘটনার দিন তাঁকে গুলি করে পলাতক ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ খান। তিনি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেনকে পলায়নে বিষয়ে সার্বিক সহায়তাকারী তদন্তে প্রাপ্ত আসামি তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী। বাপ্পী পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ মনোনীত নির্বাচিত কমিশনার কাউন্সিলর ছিলেন। কাজেই আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয়, ভিক্টিমের পূর্ববর্তী বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য থেকে তদন্তে প্রকাশ পায় যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।’
হত্যার পরিকল্পনা ও নির্দেশদাতার বিষয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তাইজুল ইসলাম বাপ্পীর নির্দেশে হাদিকে হত্যা করা হয়।
উল্লেখ্য, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন। এ জন্য তিনি বেশ কিছুদিন ধরে গণসংযোগ করে আসছিলেন। ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের কিছু পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তাঁকে মাথায় গুলি করার পর আততায়ীরা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর মারা যান তিনি।
(সুরমামেইল/এফএ)
প্রধান উপদেষ্টাঃ ফয়েজ আহমদ দৌলত
উপদেষ্টাঃ খালেদুল ইসলাম কোহিনূর
উপদেষ্টাঃ মোঃ মিটু মিয়া
উপদেষ্টাঃ অর্জুন ঘোষ
আইন বিষয়ক উপদেষ্টাঃ এড. মোঃ রফিক আহমদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : মোহাম্মদ হানিফ
সম্পাদক ও প্রকাশক : বীথি রানী কর
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : ফয়সাল আহমদ
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো: কামরুল হাসান
নিউজ ইনচার্জ : সুনির্মল সেন
অফিস : রংমহল টাওয়ার (৪র্থ তলা),
বন্দর বাজার, সিলেট।
মোবাইল : ০১৭১৬-৯৭০৬৯৮
E-mail: surmamail1@gmail.com
Copyright-2015
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি