সিলেট ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৯, ২০১৮
শনিবার দিনগত মধ্যরাত থেকে শেষ হয়েছে সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা। আগামী ৩০ জুলাই এ তিন সিটিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মেয়র পদে সিলেটে সাতজন, রাজশাহীতে পাঁচজন এবং বরিশালে ছয়জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রতিটি সিটি করপোরেশনে একাধিক প্রার্থী থাকলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামী লীগ বিএনপি প্রার্থীর মধ্যে। গত কয়েকদিনের প্রচারণায় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আধুনিক নগর গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন মেয়র প্রার্থীরা। শুধু নির্বাচনী ইশতেহারে তুলে ধরা প্রতিশ্রুতিতে নয়, প্রার্থীর যোগ্যতা ও অতীত কর্মকাণ্ডকে বিবেচনায় রেখেই নগরের নতুন অভিভাবক নির্বাচিত করতে চান ভোটাররা।
তবে, সিলেট সিটি করপোরেন (সিসিক) নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে সমর্থন জানালো জাতীয় পার্টি। শনিবার (২৮ জুলাই) দুপুরে নগরীতে প্রচার কাজ চালাতে গিয়ে মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান তার বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তবে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আরিফুল হক চৌধুরী।
এদিকে, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ায় জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তাপসকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ওদিকে, নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন সিটিতেই বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। সেইসঙ্গে র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা রয়েছেন। শনিবার দুপুর থেকেই তিন মহানগরীতেই বিজিপি টহল শুরু করেছে।
অপরদিকে, বিএনপি অভিযোগ করেছে, খুলনা ও গাজীপুর নির্বাচনের মতোই এক তরফা নির্বাচন করতে চায় সরকার।আর সে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ প্রসাশন। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচীব রুহুল কবির রিজভী শনিবার দলের কেন্দ্রীয় অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি