সিলেটে ইউপি সদস্য হত্যা: পলাতক দুই ভাই গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ৪:১৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০২৬

সিলেটে ইউপি সদস্য হত্যা: পলাতক দুই ভাই গ্রেপ্তার

Manual2 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেটের ওসমানীনগর থানাধীন বুরুঙ্গা বাজার ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আতিক মিয়া হত্যা মামলায় দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপীড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

 

Manual2 Ad Code

গ্রেপ্তাররা হচ্ছেন- ওসমানীনগরের পশ্চিম সিরাজনগরের আতর মিয়ার ছেলে মিজান মিয়া (২৮) ও মঞ্জু মিয়া (৩৩)।

 

রোববার দুপুরে র‌্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

এরআগে গোপন তথ্যেরি ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থানাধীন সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নের খোয়াজপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে গ্রেপ্তারদের ওসমানীনগর থানা পুলিশ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

 

র‌্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকে গ্রেপ্তাররাসহ মামলার অন্য আসামীরা পলাতক ছিলো। গ্রেপ্তার মঞ্জু ও মিজান মামলার ৬ ও ৭ নং আসামী। নিহত সাবেক মেম্বার সালিশ ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ওসমানীনগরের পশ্চিম সিরাজনগরের সৈয়দ আব্দুল ওয়াহাবের সাথে তার আপন ভাই সৈয়দ আব্দুর রশিদ আখলিছ মিয়ার বসত ভিটার জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলছিলো।

 

এ নিয়ে একাধিক মামলাও চলমান রয়েছে। মামলা সংক্রান্ত জেরে ৩১ ডিসেম্বর বেলা আড়াইটার দিকে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সৈয়দ আব্দুর রশিদ আখলিছ মিয়ার বসতঘরে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাংচুর ও ক্ষতি সাধন করে হামলাকারীরা।

 

পরবর্তীতে সৈয়দ আব্দুর রশিদ আখলিছ মিয়া উক্ত ঘটনার সালিশ বিচারের জন্য সাবেক মেম্বার আতিক মিয়ার কাছে গেলে তিনি বিষয়টি মীমাংসার জন্য আতর মিয়ার বাড়ির উঠানে একটি সালিশি বৈঠক আয়োজন করেন। সালিশি বৈঠকের সিদ্ধান্ত মতে নিহত আততিক মিয়া বিবাদীগণকে অপরাধজনক কর্মকান্ড হতে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করেন।

 

অন্যথায় বিবাদীগণকে পুলিশে সোপর্দ করা হবে মর্মে সতর্ক করে বৈঠক শেষে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিরাজনগর চলে যান।

Manual5 Ad Code

 

ওইদিন বিকেলে নিহত আতিক মিয়া নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে আতর মিয়ার বাড়ির পূর্ব পাশে রাস্তার উপর পৌঁছা মাত্রই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিঠিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে।

Manual7 Ad Code

 

আশপাশের লোকজন আতিক মিয়াকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিসৎক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ওসমানীনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

(সুরমামেইল/এফএ)

Manual2 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code