স্কাইডাইভিংয়ে সর্বাধিক পতাকা উড়িয়ে গিনেস রেকর্ড বাংলাদেশের

প্রকাশিত: ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০২৬

স্কাইডাইভিংয়ে সর্বাধিক পতাকা উড়িয়ে গিনেস রেকর্ড বাংলাদেশের

Manual3 Ad Code

মেইল ডেস্ক:
বিজয় দিবসে প্যারাস্যুট থেকে একই সঙ্গে সর্বাধিক সংখ্যক জাতীয় পতাকা উড়িয়ে নতুন এক গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। ৫৪তম বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই ঐতিহাসিক প্রদর্শনী আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বরেকর্ডের স্বীকৃতি পেয়েছে।

 

Manual6 Ad Code

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সাফল্যের কথা জানিয়েছে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ এই কৃতিত্বকে ‘মোস্ট ফ্ল্যাগস ফ্লোন সাইমালটেনিয়াসলি হোয়াইল স্কাইডাইভিং (প্যারাস্যুট জাম্প)’ বা স্কাইডাইভিংয়ের সময় একসঙ্গে সবচেয়ে বেশি পতাকা ওড়ানোর রেকর্ড হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।

 

গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ৫৪তম বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ‘টিম বাংলাদেশ’ ঢাকার আকাশে এই রেকর্ড গড়ার লক্ষ্য নিয়ে প্যারাস্যুট জাম্প সম্পন্ন করে। জাতীয় ঐক্য ও সম্মিলিত শক্তির প্রতীক হিসেবে সেদিন ঢাকার আকাশে একই সাথে মোট ৫৪টি জাতীয় পতাকা ওড়ানো হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ স্কাইডাইভারদের অংশগ্রহণে এই বৃহৎ আকারের প্রদর্শনীটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

 

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) পরিকল্পনা ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই অভিযানে অংশ নেন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর দক্ষ স্কাইডাইভার এবং প্যারাট্রুপাররা। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী মোহাম্মদ আশিক বিন হারুনসহ একদল অভিজ্ঞ প্যারাট্রুপার।

 

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে বলা হয়, আকাশে একযোগে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক পতাকা উড়িয়ে স্কাইডাইভিং (প্যারাস্যুট জাম্প) করার বিশ্বরেকর্ড গড়েছে ‘টিম বাংলাদেশ’। ২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় ৫৪টি পতাকা নিয়ে লাফিয়ে এই রেকর্ড অর্জন করা হয়।

 

Manual4 Ad Code

আইএসপিআর তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, এই অর্জন কেবল একটি বিশ্বরেকর্ডই নয়, বরং এটি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাসের এক অনন্য প্রতিফলন।

 

Manual7 Ad Code

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আকাশে ৫৪টি লাল-সবুজ পতাকার ডানা মেলার সেই মুহূর্তটি দেশের ইতিহাসে একটি গর্বের অধ্যায় হয়ে থাকবে এবং এটি অনাগত ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে।’

 

(সুরমামেইল/এফএ)

Manual7 Ad Code


সংবাদটি শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code